1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

মমতার সমালোচনায় তসলিমা নাসরিনের টুইট

পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান বিস্ফোরণের ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেস এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি সমালোচনা অব্যাহত৷ টুইটারে #তৃণমূলজিহাদ, #জিহাদিদির সঙ্গে যোগ হয়েছে #টিএমসি৷ অনেকে আবার তসলিমা নাসরিনের পুরনো টুইটও শেয়ার করছেন৷

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূরত্ব আবারো স্পষ্ট হতে শুরু করেছে৷ গত ২ অক্টোবর বর্ধমানে বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্ষমতাসীন বিজেপি আঙুল তুলেছে মমতার নীতির দিকে৷

টুইটারেও বিষয়টি তুলে ধরেছেন অনেকে৷ টুইটারে নরেন্দ্র মোদীর ভক্ত হিসেবে পরিচয় দানকারী পিয়াস গোস্বামী একটি সংবাদের ‘স্ক্রিনশট' শেয়ার করেছেন৷ এতে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশ গত মাসেই জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পর্কের বিষয়টি তদন্তে ভারতের প্রতি অনুরোধ করেছিল৷

ইন্টারনেট ঘেঁটে দেখা গেছে, গল্ফনিউজ ডটকম গত ২০ সেপ্টেম্বর এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে৷ কলকাতা থেকে প্রতিবেদনটি পাঠান গল্ফনিউজ-এর প্রতিনিধি আর্চিসমান ডিন্ডা৷

নতুন দিল্লির বাসিন্দা নির্জা প্রসাদ টুইটারে এই বিষয়ে লিখেছেন, ভারত বলছে পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিচ্ছে৷ কিন্তু দেশটির নিজের রাজ্যেই সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে৷

প্রসঙ্গত, ভারতে নির্বাসনরত বাংলাদেশের লেখিকা তসলিম নাসরিন কিছুদিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করে একাধিক টুইট ‘পোস্ট' করেছিলেন৷ সেসব টুইটে তিনি মমতার সঙ্গে জঙ্গিদের সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করেন৷ এমনকি জামায়াতে ইসলামীকে সন্তুষ্ট রাখতে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তিতে মমতা সায় দেয়নি বলেও দাবি করেন নাসরিন৷ ২ অক্টোবর বর্ধমানের ঘটনার পর টুইটগুলো এখন পুনরায় টুইটারে ‘রিটুইট' করা হচ্ছে৷

চক্রনিউজ ডটকম টুইটারে প্রশ্ন করেছে, মমতার শাসনকালে পশ্চিমবঙ্গ কি জিহাদিদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিনত হচ্ছে?

প্রিয় পাঠক, চক্রের এই প্রশ্নটির উত্তরে আপনি কি বলবেন? লিখুন নীচে মন্তব্যের ঘরে৷