1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাকিস্তান

মন্দির পরিদর্শন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি না ভোটের রাজনীতি?

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ সম্প্রতি পাঞ্জাবে হিন্দু মন্দির পরিদর্শন করেছেন৷ ইসলামিক রাষ্ট্রে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাড়ানো ও আন্তর্জাতিক অঙ্গণে দেশের ভাবমূর্তি উন্নয়নই এর লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন নওয়াজের মুখপাত্র৷

১১ জানুয়ারি পাঞ্জাবে ৯০০ বছরের পুরোনো কাটাস রাজ মন্দির সফর করেন নওয়াজ৷ দক্ষিণ এশিয়ার হিন্দুদের কাছে এই মন্দিরটি অন্যতম তীর্থ স্থান৷ এই মন্দির পরিদর্শনকে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন অনেকে৷ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মবিশ্বাসের প্রতি আঘাত না আসে, সে ব্যাপারে সরকারের মনোভাব আরও সুস্পষ্ট করতেই এ সফর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের মুখপাত্র৷ তবে, সমাজ পরিবর্তনে সরকারের এই মনোভাবে রুষ্ট হয়েছেন কট্টরপন্থিরা৷

তারা যথারীতি এর বিরোধিতা করেছে৷ মন্দিরে আনুষ্ঠানিক পূজা হওয়ার পর বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নওয়াজ বলেন, ‘‘আমার দৃষ্টিভঙ্গিতে মুসলমান, হিন্দু, শিখ, খ্রিষ্টান এবং যারা অণ্য ধর্মাবলম্বী-সবাই সমান, সবাই এক৷'' রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে মন্দিরটির অবস্থান ১১০ কিলোমিটার দূরে কাটাস গ্রামে৷

অনুষ্ঠানে খ্রিষ্টান, শিখ এবং হিন্দু ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন৷ সেখানে নওয়াজ মুসলিম ধর্মীয় কট্টরপন্থিরা অন্য ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন৷

তিনি বলেন, ‘‘আমি বিশ্বাস করি এটা কোন নীতির মধ্যে পড়ে না৷ এমন দৃষ্টান্ত বা শিক্ষা কারোরই উপস্থাপন করা উচিত নয়৷'' তবে সমালোচকরা বলছেন, কট্টরপন্থিদের সামাল দিতে নজওয়াজ সরকার তেমন কোনো পদক্ষেপই নিচ্ছে না৷ এসব কট্টপন্থিদের মধ্যে কারো কারো সঙ্গে ইসলামি জঙ্গিদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে ধারণা করা হয়৷

ধর্ম নিয়ে রাজনীতি

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নওয়াজের কাটাস রাজ মন্দির পরিদর্শন আসলে সংখ্যালঘুদের ভোটের প্রত্যাশায়৷ কেননা ২০১৮ সালে পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে৷ তাই নিজের অসাম্প্রদায়িক ভাবমূর্তিকে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যেই তার এই সফর৷ যদিও পাকিস্তানে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী মোট জনগোষ্ঠীর মাত্র ৩ ভাগ৷ তবে পাঞ্জাব ও সিন্ধু প্রদেশে সংখ্যালঘুদের ভোট নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করে৷

এপিবি/ডিজি (এপি, রয়টার্স)

বিষয়টি নিয়ে আপনার কিছু বলার থাকলে লিখুন নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন