1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

মন্দা, তাই ভ্রমণেও অনীহা

অর্থনৈতিক মন্দা হরণ করেছে ব্রিটিশদের বেড়ানোর শখ৷ অন্তত পরিসংখ্যান তাই বলে৷ গত বছর ব্রিটিশদের বিদেশ ভ্রমণ কমেছে ১৫ শতাংশ৷ ব্রিটিশরা যেমন বিদেশ ভ্রমণে আগ্রহ হারিয়েছে, তেমনি অন্য দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে যাওয়াও কমেছে৷

UK, Tourist, Tourism, মন্দা, ভ্রমণ, ব্রিটিশ, Britain,

বিশ্ব অর্থনীতির মন্দা এড়াতে পারেনি যুক্তরাজ্যও৷ আর হাতে টাকা-কড়ি কম থাকলে কত সাধই তো মেটে না৷ ব্রিটিশদের অবস্থাও হয়েছে তাই৷ ‘কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা' – এই কথাটি আর মনে হয় খাটছিলো না৷ তাই খরচ কমাতেই হয়তো ভ্রমণ কমিয়েছে তারা৷ দেশটির পরিসংখ্যান দপ্তর মঙ্গলবার জানায়, ২০০৯ সালে ব্রিটিশদের বিদেশ ভ্রমণের সংখ্যা ছিলো ৫ কোটি ৮৬ লক্ষ৷ অর্থাৎ বিভিন্ন ব্যক্তি এত সংখ্যক বার বাইরে বেরিয়েছেন৷ যা আগের বছরের চেয়ে ১৫ শতাংশ কম৷ আর ব্যবসায়ীদের ভ্রমণ কমেছে আগের চেয়ে এক-চতুর্থাংশ৷ যার মানে হলো, না গেলেই নয়, এমন ক্ষেত্র ছাড়া ব্যবসায়ীরাও পকেটের পাউন্ড খরচ করেননি৷ রেখে দিয়েছেন পকেটেই৷

২০০৮ সালের প্রথম ভাগে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি ৬ দশমিক ৪ শতাংশ সঙ্কুচিত হয়েছিলো৷ আর মন্দা কেটে যাওয়ার আভাস অর্থনীতিবিদরা দিলেও ডলারের বিপরীতে ইউরোর মানের অবনমন এখনো ঠেকানো যায়নি৷ আর সোমবারই ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের অন্যতম নীতি নির্ধারক অ্যাডাম পসেন বলেন, ‘‘যা ভাবা হয়েছিলো মন্দার প্রভাব যুক্তরাজ্যে তার চেয়ে বেশি৷ এমনকি মন্দার গাড্ডায় যুক্তরাজ্যের আবার পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি আছে৷ তবে আশা করছি, তেমন কিছু দেখতে হবে না৷''

পরিসংখ্যান দপ্তরের হিসেবে, ব্রিটিশদের ভ্রমণব্যয় এক বছরে ৫শ কোটি পাউন্ড কমেছে৷ তারা খরচ করেছে ৩ হাজার কোটি পাউন্ডের বেশি৷ আর ভ্রমণের ক্ষেত্রেও পছন্দের বদল হয়েছে৷ যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ আগের মতো থাকলেও মেক্সিকো ভ্রমণ এই সময়ে কমেছে ৪১ শতাংশ৷ ভ্রমণের জন্য অনেকে বেছে নিয়েছেন কাছের দেশ ফ্রান্স ও স্পেন৷ দূরের কিংবা ব্যয়বহুল দেশগুলোতে ভ্রমণ কমেছে৷ তাই এই সময়টাতে মিশর, লিথুয়েনিয়া, জ্যামাইকার মতো দেশগুলো নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে ব্রিটিশদের মধ্যে৷

ব্রিটিশদের মতো অন্য দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার প্রবণতাও এই সময়ে কমেছে ৬ শতাংশ৷ তবে মজার ব্যাপার হলো, এই খাত থেকে তাদের আয় বরং বেড়েছে৷ বিদেশি ভ্রমণার্থীদের থেকে আয় বেড়ে ১৬শ কোটি পাউন্ডে দাঁড়িয়েছে৷ যা ২০০৮ সালের চেয়ে ৩ কোটি ডলার বেশি৷ বরাবরের মতো ২০০৯ সালেও সবচেয়ে বেশি পর্যটককে কাছে টেনেছে লন্ডন৷ অন্য শহরগুলো এক্ষেত্রে বহুগুণ দূরে৷

প্রতিবেদন: মনিরুল ইসলাম

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন