1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

মনরোর বক্ষপাঁজরের এক্সরে প্লেট নিলামে

তিনটি এক্সরে প্লেট, আর তার দামই উঠলো ৪৫ হাজার ডলার৷ যারা নিলাম ডেকেছেন তাঁরাও ভাবেননি এতটা উঠবে৷ আর উঠবে নাই বা কেন, এটা তো আর যারতার এক্সরে প্লেট নয়, মেরিলিন মনরোর৷

default

ফাইল ফটো

মৃত্যুর অর্ধশতক পেরিয়ে গেছে, তারপরও স্বপ্নকন্যার আবেদন যে একটুও ফুরোয়নি, এটা তারই প্রমাণ৷

বক্ষপাঁজরের হাড়গুলো দেখা যাচ্ছে, তার ফাঁক দিয়ে কি উঁকি দিচ্ছে হৃদয়? সেখানে কি জন এফ কেনেডির নাম খোদাই করা? হতে পারে, আবার নাও পারে৷ তবু খুঁজে দেখতে দোষ কী? আর তাই হয়তো এত দাম দিয়েই নিলামে মনরোর এক্সরে প্লেট তিনটি কিনে নিলেন আগ্রহী ব্যক্তি৷ তবে তিনি কে, তাঁর পরিচয় জানা যায়নি৷

লস এঞ্জেলেসের নিলামঘর জুলিয়েনস দিন কয়েক আগে নিলামে তোলে মনরোর এক্সরে প্লেট তিনটি৷ এর মধ্যে দুটি বক্ষপিঞ্জরের, আর অন্যটি মেরুদণ্ডের নিচের অংশের৷ হলিউড তারকার এই এক্সরে তিনটি করা হয় ১৯৫৪ সালে৷ এর আট বছর পর মারা যান তিনি৷

শুধু এক্সরে প্লেটই নয়, নিলামে একটি চেয়ারও তুলেছিলো জুলিয়ানস৷ যেটিতে বসে একটি ছবি তুলেছিলেন মনরো৷ আর সেটাই তাঁর শেষ ছবি৷ চেয়ারটি বিকিয়েছে ৩৫ হাজার ডলারে৷ এর আগে বিভিন্ন সময় মনরোর ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী নিলামে উঠেছিলো৷ আর তাও বিক্রি হয় চড়া দামে৷

নরমা মর্টেনসন নামটি খুব অচেনা ঠেকছে কি? ১৯২৬ সালে জন্মের পর আদতে এটাই ছিলো মেরিলিন মনরোর নাম৷ তবে মনরো নামের আড়ালে হারিয়ে গেছে তা৷ ১৯৪৭ থেকে ১৯৬২- মনরোর চলচ্চিত্র জীবন মাত্র ১৫ বছর৷ বিয়ে করেছেন তিনবার৷ বিচ্ছেদও তিনবারই৷ শেষবার বিশ্ববরেণ্য নাট্যকার আর্থার মিলারের সঙ্গে বিয়েটাও টেকেনি৷ তাঁর সময়ের মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেনেডির সঙ্গে প্রণয়ই ছিলো বেশি আলোচিত৷

১৯৬২ সালের ৫ আগস্ট লস এঞ্জেলেসে নিজের বাড়িতেই মনরোর লাশ পাওয়া যায়৷ বলা হয়, বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন লাস্যময়ী এই পর্দাকন্যা৷ তবে তাকে হত্যা করা হয়েছে, এমন ধারণাও করেছেন অনেকে৷ তবে ৪৮ বছর পেরিয়ে গেলেও রহস্যই থেকে গেলো রহস্যময়ী এই তারকার জীবনের অবসানের দিকটি৷

প্রতিবেদন: মনিরুল ইসলাম

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়