1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

মঙ্গোলিয়ায় নারীরাও বনরক্ষী

জার্মান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সমিতি জিআইজেড নানা ধরনের উন্নয়ন প্রকল্পে সাহায্য করে থাকে৷ তার মধ্যে পড়ে মঙ্গোলিয়ার উত্তরে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যেখানে মহিলারা শিখছেন ভবিষ্যৎ বনরক্ষীদের কাজ৷

সে কাজের একটি বড় অংশ হলো পরিবেশ সংরক্ষণ৷ এমনকি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পাঠ্যবইগুলো রচনায় সাহায্য করেছেন জার্মান বন বিভাগের কর্মীরা৷ কেমন চলেছে এই পাঠক্রম? জিআইজেড মঙ্গোলিয়ায় অরণ্য সংরক্ষণেও সাহায্য করে থাকে, মঙ্গোলিয়া সরকারকে পরিবেশ সংক্রান্ত প্রকল্পের বাস্তবায়নেও সাহায্য করে৷

মঙ্গোলিয়া সরকার ও দেশের পরিবেশ মন্ত্রণালয় আইনের সংস্কার করেছেন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে মোকাবিলার জন্য একটি জাতীয় পরিকল্পনা সৃষ্টি করেছেন৷

কিন্তু সেই পরিকল্পনার বাস্তবায়নের জন্য প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কর্মীর অভাব৷ জিআইজেড ঠিক সেখানেই সাহায্য করছে৷

স্যুঞ্চারা শহরটি ঠিক যেখানে ‘তাইগা' বনভূমি ‘স্টেপ', অর্থাৎ খোলা প্রান্তরে পরিণত হয়, সেখানে অবস্থিত৷ অঞ্চলের বৃহত্তম পেশাদারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এই স্যুঞ্চারায়৷ এখানে বনরক্ষী ও পরিবেশ প্রযুক্তিবিদদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়৷ পাঠ্যবইগুলো রচনা করা হয়েছে জার্মান বন বিভাগের কর্মীদের সহযোগিতায়৷

প্রশিক্ষণার্থীদের শিখতে হয়, নার্সারিতে কী ভাবে গাছ লাগাতে হয়, ছোট ছোট চারাগুলোর দেখাশোনা করতে হয়, অথবা প্রতি হেক্টর জঙ্গল থেকে কী পরিমাণ গাছ কাটলে সেই জঙ্গলের কোনো ক্ষতি হয় না৷ পরে এই প্রশিক্ষণার্থীরাই আবার এ সব অন্যদের শেখাবে৷

সঠিক পেশা

এঁদের মধ্যে কয়েকজন সবে কাজ শুরু করেছেন, অন্যরা এর আগে বেকার ছিলেন৷ এখন বিশেষ করে মহিলাদের এই পেশাটির জন্য উদ্বুদ্ধ করার প্রচেষ্টা চলেছে৷

এংখসায়া এনখবাৎ-এর ভাষ্যে: ‘‘আমি যখন আমার বাবা-মাকে বললাম যে, আমি বনরক্ষী হতে চাই, তখন তাঁরা খুব আনন্দিত হয়েছিলেন – প্রধানত আমার কথা ভেবে৷ আমার বাবার এক টুকরো জমি আছে, সরকারের কাছ থেকে আগামী ৬০ বছরের জন্য ইজারা পেয়েছেন৷ প্রতিবার আমি যখন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে বাড়ি আসি, বাবা-মা আমাকে উৎসাহিত করেন, আরো পড়ো, এংখসায়া, জঙ্গলে ঘুরে দেখো, অনেক শেখো, যাতে আমাদের কাছে যেটা একটা সখ, সেটা তোমার পেশা হয়ে উঠতে পারে, তোমার সঠিক পেশা৷''

এংখসায়া যাতে শেষমেষ একটা চাকরিও পান, সেজন্য স্যুঞ্চারার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কয়েকটি কোম্পানির সঙ্গে একত্রে কাজ করছে, তার একটি হলো এই কাঠকল৷ সরকার চান যে, ভবিষ্যতে শুধু অনুমোদিত কোম্পানিরাই জঙ্গল থেকে কাঠ কিনতে পারবে৷ সে অনুমোদন পাবার জন্য কোম্পানিগুলিকে নিশ্চিত করতে হবে যে, তারা যেন জঙ্গল থেকে মাত্রাধিক কাঠ না কাটে এবং তাদের কর্মী হিসেবে শুধু প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত পরিবেশ প্রযুক্তিবিদদের নিয়োগ করে৷

পরিকল্পনার বাস্তবায়নের জন্য মঙ্গোলিয়ার প্রায় তিন হাজার বনরক্ষীর প্রয়োজন৷ এঁদের এক-তৃতীয়াংশ আগামী তিন বছরেই প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করে বের হবেন৷ তারপর তাঁদের প্রচেষ্টা হবে, তাইগা বনভূমির তিলে তিলে মৃত্যু রোধ করা৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়