1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

ভেরেন্ডা না ভেজে প্রক্রিয়াজাত করলে লাভই লাভ!

আমরা অনেকেই বলি, কাজ নাই তাই বসে বসে ভেরেন্ডা ভাজছি৷ এই ভেরেন্ডা, ইংরেজিতে যার নাম জাট্রোফা, খুবই উপকারী একটা উদ্ভিদ৷ একে প্রক্রিয়াজাত করে বায়োডিজেল উৎপাদন করলে জ্বালানি ঘাটতি অনেকটা কমানো যেতে পারে৷

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের মজুদ দিনদিন কমছে৷ এভাবে চলতে থাকলে আগামী ১০০ বছরের মধ্যে হয়তো মজুদ শেষ হয়ে যেতে পারে৷ তাই জ্বালানির অন্যান্য উৎসের খোঁজ শুরু হয়েছে৷ সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি সহ বেশ কয়েকটি উৎস থেকে জ্বালানি উৎপাদন করছে বিশ্বের অনেক দেশ৷ বাংলাদেশেও কয়েক বছর ধরে সৌরশক্তি উৎপন্ন হচ্ছে৷

জাট্রোফা বা ভেরেন্ডা থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন শুরু হয়েছে কয়েকটি দেশে৷ বাংলাদেশও সেটা করতে পারে বলে মনে করেন অনেক বিশেষজ্ঞ৷ কেননা বাংলাদেশের আবহাওয়া ভেরেন্ডা জন্মানোর জন্য খুবই উপযোগী৷ চাইলে পতিত জমিগুলোও ভেরেন্ডা উৎপাদনের কাজে লাগানো যেতে পারে৷

ভেরেন্ডা থেকে তেল বের করা নতুন কোনো বিষয় নয়৷ বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে অনেকদিন ধরেই সেটা করা হচ্ছে৷ তবে সীমিত আকারে৷ এসব তেল দিয়ে গৃহস্থালির কিছু কাজও করা হয়৷

Jatrophanüsse braun

জাট্রোফার বাদামী বিচি

জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক লেখক হাসান কামরুল সম্প্রতি ‘যুগান্তর' পত্রিকায় লিখেছেন, এক হেক্টর জমিতে জন্মানো ভেরেন্ডা থেকে প্রতিবছর প্রায় ৩-৪ হাজার লিটার বায়োডিজেল উৎপাদন করা সম্ভব৷ ‘‘বাংলাদেশ বছরে গড়ে প্রায় ৩৭ লাখ টন (পরিশোধিত ও অপরিশোধিত) জ্বালানি তেল আমদানি করে থাকে৷ এর প্রায় ২৪ লাখ টনই ডিজেল, যার মোট আমদানি মূল্য ১৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি৷ বিপিসি বেশি দামে ডিজেল কিনে কম মূল্যে জনগণকে সরবরাহ করে৷ ফলে বিপিসিকে প্রতিবছর হাজার কোটি টাকারও বেশি লোকসান গুনতে হয়৷''

সাধারণ তেল উৎপাদনের ঘানি দিয়েই ভেরেন্ডার বীজ থেকে বায়োডিজেল উৎপাদন সম্ভব বলে জানিয়েছেন কামরুল৷ এভাবে উৎপাদিত বায়োডিজেল কৃষি পাম্পসহ বাতি জ্বালানোর ক্ষেত্রে সরাসরি ব্যবহার করা যাবে৷ তবে যানবাহনে ব্যবহারের জন্য ঘানিতে উৎপাদিত বায়োডিজেল পরিশোধনের প্রয়োজন হবে বলেও জানান তিনি৷

ভেরেন্ডা থেকে বায়োডিজেল উৎপাদনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে জ্বালানি মন্ত্রণালয় ২০০৬ সালে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছিল৷ ২০০৭ সালে সেই কমিটি তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন দাখিল করলেও আজ পর্যন্ত এ ব্যাপারে সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন