1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ভূমিকম্প এবার আঘাত হেনেছে চৌতারায়

নেপালে মঙ্গলবারের সাত দশমিক তিন শক্তির ভূমিকম্পে অন্তত আরো ৬৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন, আহতের সংখ্যা প্রায় দু'হাজার৷ বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হিমালয়ের পাদদেশে চৌতারা নামের একটি ছোট্ট শহর৷

বুধবার সেখানে সরকারি কর্মকর্তারা মাইক হাতে মানুষজনকে সতর্ক করে দিয়েছেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর পরিত্যাগ করতে বলেছেন৷ চৌতারার অধিকাংশ বাসিন্দা অবশ্য মঙ্গলবার ভূমিকম্পের পর পরই বাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে এসেছেন, রাত কাটিয়েছেন তাঁবুতে কিংবা প্লাস্টিকে শীটের নীচে৷

অথচ এই চৌতারাই ২৫শে এপ্রিলের বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পর ত্রাণকর্মী এবং ত্রাণসাহায্য পাঠানোর একটি কেন্দ্র হয়ে দাঁড়িয়েছিল৷ সেই সঙ্গে আরো দুঃসংবাদ: ইউএস মেরিন কোর-এর একটি হেলিকপ্টার ছ'জন মেরিন সেনা ও দু'জন নেপালি সৈন্য সহ নিখোঁজ হয়েছে৷ কাঠমান্ডুর ৮০ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে সুনখানি অঞ্চলে তার খোঁজ চলেছে৷

মঙ্গলবারের ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল কাঠমান্ডু থেকে ৮৩ কিলোমিটার পূর্বে মাউন্ট এভারেস্ট-এর কাছে, ১৫ কিলোমিটার গভীরতায় – যেখানে ২৫শে এপ্রিলের সাত দশমিক নয় শক্তির ভূমিকম্প ঘটেছিল মাটির মাত্র দশ কিলোমিটার নীচে৷ বুধবার সকালের মধ্যে যে ৬৫ জনের মৃত্যুর খবর যাচাই করা সম্ভব হয়েছে, তার অধিকাংশই ঘটেছে দোলাখা জেলায়৷

মঙ্গলবার প্রথম ভূকম্পনের ৩০ মিনিটের মধ্যে ছয় দশমিক তিন শক্তির একটি ‘আফ্টারশক' অনুভূত হয়৷ তার পরে অন্তত ১৭টি কম-বেশি জোরদার আফ্টারশক ঘটেছে৷ সব মিলিয়ে এই ভূমিকম্পে বাস্তবিক প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো পূর্ণাঙ্গ খতিয়ান এখনই পাওয়া কিংবা দেওয়া সম্ভব নয়, বিশেষ করে যখন হিমালয়ের প্রত্যন্ত এলাকার বহু গ্রাম এখনও ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে রয়েছে৷

নেপালের প্রতিবেশী দেশগুলিতেও সর্বাধুনিক ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে, শুধু অনুভূত নয়, ভারতে বাড়ির ছাদ বা দেয়াল ধসে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৬ জন৷ চীনা সংবাদমাধ্যম তিব্বতে একজনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে৷ তবে মঙ্গলবারের ভূমিকম্পকে স্বভাবতই এপ্রিলের ভূমিকম্পের সঙ্গে তুলনা করা চলে না৷

প্রথমবার প্রায় আট হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা ভূমিকম্পের কবলে পড়ে৷ মঙ্গলবারের ভূমিকম্পে পীড়িত হয়েছিল মাত্র ৬৬০ বর্গকিলোমিটার এলাকা৷ অন্যভাবে বলতে গেলে: এপ্রিলের ভূমিকম্পের কোপে পড়েছিলেন প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষ; মঙ্গলবার বিপন্ন মানুষদের সংখ্যা ছিল মাত্র ৬৫ হাজার, কেন না ভূমিকম্প পীড়িত এলাকাটিতে এবার কোনো বড় শহর ছিল না এবং জনবসতিও ছিল অপেক্ষাকৃত কম৷

এসি/ডিজি (এপি, রয়টার্স, পিটিআই)

নির্বাচিত প্রতিবেদন