1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

ভিন গ্রহে প্রাণের খোঁজে নতুন পদ্ধতি

অন্য গ্রহে কি প্রাণ আছে? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে মানবজাতি বহুকাল ধরে ধৈর্য ধরে বসে আছে৷ প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে আশাও বেড়ে চলেছে৷ এবার ইউরোপের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একটি অভিনব পদ্ধতি চালু করলেন৷

সৌরজগতের বাইরে নক্ষত্র, গ্যালাক্সি সহ অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তুর আবিষ্কার নতুন বিষয় নয়৷ বহুকাল ধরেই মানুষ এক্ষেত্রে সাফল্য পেয়ে আসছে৷ সম্প্রতি সেই তালিকায় যোগ হয়েছে বহু আলোকবর্ষ দূরের একের পর এক গ্রহ৷ এত ঘন ঘন নতুন গ্রহের কথা জানা যাচ্ছে, যে সেগুলি সম্পর্কে ভালোভাবে খোঁজখবর করা কঠিন হয়ে পড়ছে৷ এত দূরে পৌঁছানোর ক্ষমতা মানুষের হাতে এখনো আসে নি৷ তাই টেলিস্কোপ বা অন্যান্য যন্ত্রই ভরসা৷ তবে সবার আগে যে প্রশ্নটা মনে জাগে, সেটা হলো ‘‘সেখানে কি প্রাণ আছে বা কখনো ছিল?''

প্রাণের অস্তিত্বের জন্য চাই জল৷ অন্তত আমাদের প্রচলিত জ্ঞান তাই বলে৷ অতএব বায়ুমণ্ডলে জলের অস্তিত্ব শনাক্ত করতে হবে৷ এবার ইউরোপের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ঠিক এই কাজের এক নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন৷

Einweihung des Teleskops ALMA in Chile

চিলির আটাকামা মরুভূমিতে অবস্থিত একটি টেলিস্কোপ

পৃথিবীর বুকে অথবা মহাকাশে অবস্থিত বিশাল টেলিস্কোপের মধ্যে তা প্রয়োগ করা যায়৷ এর জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে, তার নাম ‘ক্রায়োজিনিক হাই-রেজোলিউশন ইনফ্রারেড এশেল স্পেকট্রোগ্রাফ'চিলির আটাকামা মরুভূমিতে ইউরোপীয় এক টেলিস্কোপে সেটি কাজে লাগানো হচ্ছে৷

সদ্য আবিষ্কৃত এক গ্রহের উপর সেই পদ্ধতি প্রয়োগও করা হয়েছে৷ দূরের সেই গ্রহের এখনো কোনো নাম রাখা হয়নি৷ তবে জানা গেছে সেটি তার ‘সূর্য'-এর চারিদিক প্রদক্ষিণ করতে মাত্র ২ দিন সময় নেয়৷ অত্যন্ত গরম এই গ্রহে ইস্পাতও গলে যাবার কথা৷

দূরের গ্রহের খোঁজের পোশাকি নাম হলো ‘এক্সোপ্ল্যানেট' গবেষণা৷ তাদের সূত্র অনুযায়ী ১৯৯৫ সাল থেকে এখনো পর্যন্ত এর আওতায় আমাদের সৌরজগতের বাইরে মোট ৭২৩টি গ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে৷ নাসা-র হিসেব অনুযায়ী সংখ্যাটা অবশ্য ৮৭৯৷ আরও অনেক মহাজাগতিক বস্তু আদৌ গ্রহ কি না, তা যাচাই করে দেখা হচ্ছে৷ স্কীকৃতি পেলে সেগুলিও গ্রহের তালিকায় স্থান পাবে৷

এখনো পর্যন্ত দূরের কোনো গ্রহেই প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা পাওয়া যায় নি৷ তবে নেদারল্যান্ডস-এর লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জেন বির্কবি বলেছেন, আগামী কয়েক দশকে পৃথিবীর মতো গ্রহের খোঁজ আরও জোরালো হবে৷ নতুন এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে যদি জল এবং সেইসঙ্গে প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায় বা জানা যায়, পৃথিবীর মতোই আরও গ্রহ রয়েছে, তা হবে এক রোমাঞ্চকর আবিষ্কার৷

এসবি/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন