1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘ভালোবাসার চুম্বন’ নিয়ে ভারতে বিতর্ক

ধর্মীয় সংকীর্ণতা যে শুধু ইসলামিক স্টেট বা ইরানের মোল্লাতন্ত্রের একচেটিয়া ক্ষেত্র নয়, তা ভারতের হিন্দু ও মুসলিম সংগঠনগুলি মনে করিয়ে দিল৷ দক্ষিণের কেরালা রাজ্যে চলছে এই নিয়ে ঘাত-প্রতিঘাত৷

Symbolbild - Unter der Bettdecke

প্রতীকী ছবি

কেরালা রাজ্যে সাক্ষরতার হার শতকরা একশোভাগ৷ ‘গডস ওন কান্ট্রি’ হিসেবে পরিচিত এই রাজ্যে বিশ্বের প্রায় সব ধর্মই প্রাচীনকাল থেকে উপস্থিত৷ সেই রাজ্যেই ধর্মীয় সংগঠনগুলির এমন তাণ্ডবের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে বৈকি৷

গোটা ঘটনার সূত্রপাত ‘ভারতীয় যুব মোর্চা' নামের এক সংগঠনের এক হামলার ঘটনা থেকে৷ ‘অনৈতিক কার্যকলাপ' বন্ধ করতে গত সপ্তাহে তারা একটি হোটেলের কফি শপ-এ হামলা চালিয়েছিল৷ সেখানে নাকি প্রকাশ্যে চুম্বন খাওয়া হচ্ছিল৷ সেই ঘটনার ভিডিও প্রচার করে একটি স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল৷

তারই প্রতিবাদে ‘কিস অফ লাভ' নামের এক প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হয়েছে৷ এই সমাবেশের নাম রাখা হয়েছে ‘কিস কার্নিভাল'৷ প্রকাশ্যে যুবক-যুবতীরা চুমু খেয়ে স্বঘোষিত নীতিবাগীশদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখাচ্ছেন৷ এক প্রাচীন হিন্দু মন্দিরের ছবি সহ টুইটার ব্যবহারকারী দেবদত্ত পট্টনায়েক লিখেছেন, যারা এই আন্দোলনের বিরোধী, তারা আসলে প্রত্যাখ্যাত, লজ্জিত৷ তাদের হৃদয় ভেঙে গেছে, ভালোবাসা পায়নি এবং ক্ষুব্ধ৷ নিজেদের তারা ‘মরাল' বলে মনে করে:

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল, যদিও সেই পাতাটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়৷ ভারতের ‘ফার্স্টপোস্ট' অনলাইন সংবাদপত্র টুইটারে লিখেছে, সোশ্যাল মিডিয়াতেও ‘মরাল পুলিশ!'

পুলিশ অনুমতি না দেওয়া সত্ত্বেও প্রতিবাদ চলছে৷ রবিবারও পুলিশ প্রায় ৫০ জন প্রতিবাদকারীকে আটক করেছে৷ মনোরমা অনলাইন সংবাদপত্র পুলিশ ভ্যানের মধ্যে চুম্বনরত অ্যাক্টিভিস্টদের ছবি প্রকাশ করেছে:

‘কিস অফ লাভ'-এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে একাধিক হিন্দু ও মুসলিম সংগঠন৷ তাদের মতে, এর ফলে রাজ্যে ‘যৌন অরাজকতা'-ক সৃষ্টি হবে৷ শিবসেনা দলের কর্মীদের হিংসাত্মক তাণ্ডব ছিল দেখার মতো৷ তারা এই প্রচেষ্টাকে ‘লাভ জিহাদ'-এর অঙ্গ হিসেবে তুলে ধরছে৷ ভারতীয় যুব মোর্চা ছাড়াও সংঘ পরিবারের সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ এবং বজরং দল তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে৷ মুসলিম সংগঠনগুলির মধ্যে রয়েছে সুন্নি সংগঠন এসওয়াইএস এবং সোশ্যাল ডেমক্র্যাটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া৷ তারা সবাই নিজেদের ‘অ্যান্টি কিস' বা চুম্বন-বিরোধী আন্দোলন হিসেবে তুলে ধরছে৷

এমন প্রেক্ষাপটে ‘স্কুপহুপ' লিখেছে, ভারতে প্রকাশ্যে প্রস্রাব করা চলে, কিন্তু চুমু খাওয়া ঠিক নয়!

এসবি/ডিজি (ডিপিএ, পিটিআই)

নির্বাচিত প্রতিবেদন