1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

ভালোবাসার ঠেলায় পঞ্চত্ব প্রাপ্তি!

ইন্টারনেটের কল্যাণে নানান বিচিত্র অদ্ভূতুড়ে কান্ড প্রায় সবসময়ই খবরে আসছে৷ এমনই একটি ঘটনার কথা সম্প্রতি জানা গেছে৷

default

এবার গাছে জল দিতেও এগিয়ে আসছে ফেসবুক

কুইন্সল্যান্ড এর জাতীয় গ্রন্থাগারে রাখা ‘মিট ইটার' নামের একটি সত্যিকার গাছের পরিচর্যার বিষয়টি অনলাইনে ফেসবুকের মাধ্যমেই সম্ভব করেছিলেন বাসকিম ইসাই নামের এক তরুণ৷

এই গাছটির খাবারের যোগান, তার গোড়ায় নিয়মিত প্রয়োজনীয় জল সিঞ্চন বা জল দেয়ার এই সব কাজ-কর্ম নাকি ফেসবুক ব্যবহারকারীরা চাইলে অনলাইনেই করতে পারতেন৷ তো ল্যাঠা হয়েছিলো সেখানেই৷

কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারঅ্যাকটিভ ডিজাইনের পড়ুয়া তরুণ বাসকিম ইসাই তাঁর ‘মিট ইটার' এর এই কার্যক্রমটি ২ মাস আগে ফেসবুকে চালু করেছিলেন৷ এরপর থেকে এর ফেসবুক পাতায় গিয়ে, এর ওয়ালে ভাল কথা-বার্তা লিখে, একে সঙ্গ দিয়ে ‘মিট ইটার' এর গোড়ায় সবাই মিলে এতোই জল ঢেলেছেন যে শেষপর্যন্ত তাঁদের এই ভালবাসার ঠেলায় সেটির নাকি একেবারে পঞ্চত্ব প্রাপ্তিই ঘটেছে!

এপর্যন্ত সারা পৃথিবীর প্রায় পাঁচ হাজার ফেসবুক অনুরাগী এর ফেসবুক পাতায় হাজিরা দিয়ে, ওয়ালে লিখে এটির পরিচর্যা করেছেন৷ আর সেই ভালবাসার জলে এটির একেবারে ডুবে মরার দশা, শেষপর্যন্ত ভালবাসাই মিট ইটারের মরণের কারণ হল৷ এযেন সেই আপ্তবাক্য ‘কিলিং উইথ কাইন্ডনেস'কেই ফুটিয়ে তুললো৷

অবশ্য উদ্যোক্তা হিসেবে ইসাই এবারে নাকি সাবধান হয়েছেন৷ আপনার ভালোবাসার জল এবারে আর একে ডুবিয়ে মারতে পারবেনা৷

তরুণ পড়ুয়া ইসাই বলেছেন, আমরা লক্ষ্য করেছি, একে আসলে অতিরিক্ত ভালবাসা হয়েছিল৷ ঘটনাটা আমাদের সত্যি সত্যিই কৌতুহলী আর চমৎকৃত করেছে৷ তিনি জানিয়েছেন, গাছটি নাকি আদতে দুবার মরেছে! আর এবারের জন্মটি হচ্ছে তার তৃতীয় জন্ম৷ বোঝো ঠ্যালা৷ ইসাই জানিয়েছেন, যে কোন ফেসবুক ব্যবহারকারী চাইলেই মিট ইটার নামের এই অস্ট্রেলিয় গাছটির ফেসবুক পাতায় গিয়ে সরাসরি সম্প্রচারিত ভিডিও ছবি দেখতে পারবেন৷

চাইলে আপনিও কিন্তু এর গোড়ায় জল ঢালতে পারেন৷ কিম্বা সরাসরি কুইন্সল্যান্ডের গ্রন্থাগারে গিয়ে দেখেও আসতে পারেন মিট ইটারকে৷ তার পাশে রাখা এক সাউন্ডবক্সে নাকি মিট ইটারের অভিব্যক্তি বোঝার ব্যবস্থাটিও রয়েছে৷ আরেকটি কথা৷ বড় অভিমানী নাকি এই মিট ইটার৷ সামান্য অবহেলাতেই নাকি সে কেঁদে ফেলে, আর পাশের সাউন্ডবক্সটিতে সেই কান্নার আওয়াজটিও শোনা যায়৷

প্রতিবেদন: হুমায়ূন রেজা
সম্পাদনা: দেবারতি গুহ