1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ভারত আশ্রয় না দিলে কোথায় যাবো জানি না : তসলিমা

ভারত তাঁকে আর ‘অস্থায়ী আবাসিক অনুমতি’ দেবে না বলে জানানোর পর নির্বাসিত বাংলাদেশী লেখিকা তসলিমা নাসরিন বলেছেন, ভারত আশ্রয় না দিলে কোথায় যাবেন তা তিনি জানেন না৷

default

কোথায় যাবেন তসলিমা?

লেখিকা তসলিমা জানান, প্রায় দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্রে কাটানোর পর ভারতে ফিরে আসার সময় সম্প্রতি দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ তাঁকে সাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, ‘‘এবারই শেষবার'' তাঁকে ছয়মাসের অস্থায়ী আবাসিক অনুমতি দেওয়া হচ্ছে৷ ‘‘এরপর তা আর বাড়ানো হবে না৷'' তবে, এ বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কোনো মন্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি৷

বার্তা সংস্থা এএফপিকে তসলিমা বলেন, ‘‘‘ভারত আশ্রয় না দিলে কোথায় যাবো আমি জানি না৷''

৪৭ বছর বয়সি এই লেখিকা টেলিফোনে এএফপিকে বলেছেন, ‘‘কখনও কখনও আমার মনে হয় প্যারিস এবং নিউ ইয়র্ক, লন্ডন এবং ওয়াশিংটনে এপার ওপার করতে করতে একটি বাসস্টপে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছি আমি৷''

তসলিমা তাঁর বহুলপঠিত এবং বিতর্কিত উপন্যাস ‘লজ্জা' এবং অন্যান্য রচনার জন্য মৌলবাদীদের হুমকির কারণে ১৯৯৪ সালে জন্মভূমি বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হওয়ার পর প্রথম প্রায় ১০ বছরই ইউরোপ এবং আমেরিকায় কাটান৷ এরপর ২০০৪ সালে ভারত তাঁকে ‘অস্থায়ী আবাসিক অনুমতি' দিলে সেখানে বসবাস করতে শুরু করেন তিনি৷

তসলিমা ভারতে মূলত কোলকাতাতেই থাকতেন৷ কিন্তু স্থানীয় উগ্র মুসলিম সংগঠনগুলো কোলকাতায় তসলিমার অবস্থান নিয়ে আপত্তি তুললে একপর্যায়ে সেখানে পুরো দাঙ্গার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং রাজ্য সরকারকে সেনাবাহিনী তলব করে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়৷ এরপর বিশেষ নিরাপত্তায় নতুন দিল্লিতে থাকতে শুরু করলেও ২০০৮ সালের মার্চ মাসে ভারত ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাতে বাধ্য হন তসলিমা৷

বর্তমানে ভারতের রাজধানী নতুন দিল্লির অজ্ঞাত স্থানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ নিরাপত্তায় অবস্থান করছেন এই লেখিকা৷ উল্লেখ্য, সুইডেনের নাগরিকত্ব আছে তসলিমার৷

প্রতিবেদন : মুনীর উদ্দিন আহমেদ

সম্পাদনা : আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়