1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘ভারতে সহজেই অ্যাসিড কেনা যায়'

মন্তব্যটি ন্যাশনাল কমিশন ফর উওমেন (এনসিডাবলিউ)-এর প্রধান ললিতা কুমারমঙ্গলমের৷ তিনি একান্তভাবে চান, অ্যাসিড নির্মাতারা অ্যাসিড আক্রমণের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য নিজেদের দায়িত্ব স্বীকার করুন৷

কুমারমঙ্গলম সোমবার সন্ধ্যায় নতুন দিল্লিতে থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনের একটি অনুষ্ঠানে বলেন, ‘‘আমরা যখন আইনের কথা বলি, তখন যারা অ্যাসিড ছুঁড়ছে, শুধু তাদের কথা ভাবলে চলবে না – অ্যাসিড কিভাবে কিনতে পাওয়া যায়, সে-কথাও ভাবতে হবে – যারা অ্যাসিড বেচে, যে সব কোম্পানি অ্যাসিড তৈরি করে, যে অ্যাসিড ছোট ছোট বোতলে করে বিক্রি করা হয়৷''

এনসিডাবলিউ প্রধান আরো যোগ করেন: ‘‘ছোট অ্যাসিড প্রস্তুতকারকরা তাদের বিক্রির কথাই ভাবেন৷ বোতলগুলো শেষ অবধি কোথায় গিয়ে পড়ছে এবং কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়ে তারা মাথা ঘামান না৷'' কুমারমঙ্গলম লন্ডন-ভিত্তিক অ্যাসিড সার্ভাইভার্স ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনাল বা এএসএফআই-এর একটি নতুন প্রকাশনা সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে কথা বলছিলেন৷

সংখ্যার বিচারে অ্যাসিড আক্রমণের তালিকার শীর্ষে রয়েছে কাম্বোডিয়া, তার পরেই বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও ভারত৷ অ্যাসিড আক্রমণ মূলত দক্ষিণ এশিয়া এবং এশিয়াতে ঘটলেও, বিশ্বের প্রায় সব মহাদেশেই অ্যাসিড আক্রমণের ঘটনা ঘটে থাকে – সব মিলিয়ে সারা বিশ্বে বছরে প্রায় দেড় হাজার; শতকরা আশিটি ক্ষেত্রে আক্রমণের শিকার হন কোনো নারী, বিশেষ করে কম-বয়সি মহিলারা৷ ভারতে অ্যাসিড আক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে: ২০১২ সালে ১০৬টি অ্যাসিড আক্রমণের কথা জানা গেলেও, ২০১৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১১৬-য় আর ২০১৪ সালে ৩৪৯-তে – এএসএফআই-এর গবেষণা থেকে যা জানা গেছে৷

কুমারমঙ্গলম এর একটা সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ভারতে অ্যাসিড বিক্রির পরিস্থিতির কথা বললেন৷ আইন করে অ্যাসিড আক্রমণকে পৃথক দণ্ডনীয় অপরাধ করা হয়েছে, যার সাজা দশ বছর অবধি কারাদণ্ড৷ ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ২০১৩ সালে রায় দেন, সরকারকে বিপজ্জনক রাসায়নিকের উৎপাদন ও বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে৷ কিন্তু আজও ভারতে বিনা লাইসেন্সে অ্যাসিড কেনাবেচা হচ্ছে৷ উদাহরণ হিসেবে কুমারমঙ্গলম বাড়ি অথবা বাথরুম পরিষ্কার করার রাসায়নিকের কথা বললেন, যা সস্তা এবং বাজারে প্রচুর পরিমাণে কিনতে পাওয়া যায়৷

থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠানে অ্যাসিড আক্রমণের শিকার হয়েছেন, এমন এক মহিলা তাঁর অভিজ্ঞতার কথা বলেন৷ আজও স্থানীয় বাজারে অ্যাসিড কিনতে পাওয়া যায়; বিক্রেতারা জানেন না পর্যন্ত যে, ক্রেতাদের অ্যাসিড কিনতে লাইসেন্স লাগে৷

এসি/ডিজি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন