1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

ভারতে ব্ল্যাকবেরি পরিষেবা চালু রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি

রফাসূত্র বের করতে শুক্রবার ব্ল্যাকবেরির নির্মাতা ক্যানাডার রিসার্চ ইন মোশন, রিম'এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট রবার্ট ক্রোর নেতৃত্বে তিন সদস্যের এক প্রতিনিধিদল কেন্দ্রিয় স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হন৷

default

বিশ্বের অনেক দেশেই ব্ল্যাকবেরি’র নিরাপত্তা বলয় ভেদ করার উদ্যোগ চলছে

দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে ব্ল্যাকবেরি এন্টারপ্রাইজ সার্ভার (বিইএস) এবং ব্ল্যাকবেরি ম্যাসেঞ্জার সার্ভিসের (বিএমএস) ওপর নজরদারি করার বৈধ অধিকার লিগ্যাল এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিগুলিকে দিতে হবে ৩১শে অগাস্টের মধ্যে - এই মর্মে, রিম ও মোবাইল পরিষেবা প্রদানকারি সংস্থাগুলিকে কেন্দ্রিয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে নোটিশ দিয়েছে, তার প্রেক্ষিতেই অনুষ্ঠিত হয় এই বৈঠক৷ বৈঠকের পর রবার্ট ক্রো বলেন, তিনি আশাবাদি৷ প্রযুক্তিগত সমাধান বেরিয়ে আসবে৷ আর নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে বিকল্প প্রযুক্তি দেয়া হবে সরকারকে৷

Indien Polizei in Bombay Mumbai Terrorserie Pause

ভারতে মোবাইল ফোন এখন প্রায় সবার হাতে

সরকারের বক্তব্য, ভারতের টেলিকম বিশেষজ্ঞরা ঐ প্রযুক্তির গ্রহণযোগ্যতা মূল্যায়ন করার পর সরকার সিদ্ধান্ত নেবে৷ তবে ঐ সময়সীমার মধ্যে যদি প্রযুক্তিগত সমাধান খুজে পাওয়া না যায়, তাহলে ১লা সেপ্টেম্বর থেকে সরকার ব্ল্যাকবেরি পরিষেবা বন্ধ করে দিতে পারে৷ উল্লেখ্য, বর্তমানে শুধু এসএমএস ও ব্ল্যাকবেরি ইন্টারনেট সার্ভিস অ্যাক্সেস করতে পারে লিগ্যাল এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি৷ ভারতে ব্ল্যাকবেরি পরিষেবা দেয় এয়ারটেল, ভোডাফোন ও অন্যান্য মোবাইল কোম্পানিগুলি৷ অ্যাক্সেস দিতে রিমের প্রথমে আপত্তি ছিল এই কারণে যে, এতে তাদের গ্রাহকদের গোপনীয়তা লঙ্ঘিত হবে৷

সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলির সাইবার ক্রাইম ও গুপ্তচরবৃত্তির মোকাবিলা করতে, ব্ল্যাকবেরির পর সরকার গুগুল ও স্কাইপ'এর সাঙ্কেতিক মাধ্যমে পাঠানো তথ্যের অর্থ উদ্ধারের বৈধ অধিকার পেতে অনুরুপ ব্যবস্থা নিতে পারে৷ উল্লেখ্য, ২৬-১১'এর মুম্বই হামলায় সন্ত্রাসীরা মোবাইল ও সাটিলাইট ফোন ব্যবহার করেছিল৷ ভারতে মোবাইল ফোনের বাজার যেভাবে দ্রুত বাড়ছে, তাতে ব্ল্যাকবেরি পরিষেবা নিষিদ্ধ করা হলে ১০ লাখের ওপর স্মার্টফোন বন্ধ হয়ে যাবে৷

প্রতিবেদন: অনিল চট্টোপাধ্যায়, নতুনদিল্লি
সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন