1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ভারতের সংসদে ভালবাসা নিয়ে যেতে চায় কুমার

প্রায়ই শোনা যায় অমুক প্রেম করতো তমুকের সঙ্গে৷ কিন্তু বাবা-মা রাজি না হওয়ায় তাদের বিয়েটা হলো না৷ এই অবস্থার পরিবর্তন আনতে ২০০৮ সালে ভারতে জন্ম নিয়েছে একটি রাজনৈতিক দল - যার নাম ‘অল ইন্ডিয়া লাভার্স পার্টি’ আইএলপি৷

LOGO Indian Lovers Party

অল ইন্ডিয়া লাভার্স পার্টি

কুমার শ্রী শ্রী৷ পেশা - জুনিয়র মেকআপ আর্টিস্ট৷ তবে তার চেয়ে বড় পরিচয় তিনি আইএলপি দলের প্রতিষ্ঠাতা৷ নিজের জীবনের খারাপ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি যেন আর কাউকে হতে না হয় সেজন্য গড়ে তুলেছেন এই দল৷ আর এখন তারা চাইছে সংসদেও যেতে৷

কুমার ভালবাসতেন তাঁর স্ত্রী মঙ্গাদেবীকে, যার বাবা তেমন অবস্থাসম্পন্ন ছিলেন না৷ তাই কুমারের বাবামা তাদের বিয়েতে রাজি ছিলেন না৷ কারণ তাদের আশা ছিল ছেলেকে বড় অংকের যৌতুকের বিনিময়ে বিয়ে দেবেন৷ তাই বাবামা'কে না জানিয়েই কুমার বিয়ে করে ফেলেন মঙ্গাদেবীকে৷

এই ঘটনার পরই কুমার আইএলপি গঠনের সিদ্ধান্ত নেন৷ ইতিমধ্যে অংশ নিয়েছেন তামিলনাড়ুর রাজ্যের নির্বাচনে৷ যদিও তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে, কিন্তু তবুও হতাশ হন নি৷ স্বপ্ন দেখছেন ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদে যাওয়ার৷ একা নয়, সঙ্গে দলের আরও অন্তত ১০ জন যেতে পারবে বলেও আশা করছেন তিনি৷ তাঁর দলের দাবিগুলো হচ্ছে, যাদেরকে বাবামা ছাড়াই বিয়ে করতে হয় তাদের জন্য বিনামূল্যে থাকার ব্যবস্থা ও তাদের সন্তানদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা৷ কুমার বলেন, প্রতিদিন তিনি ১৫-২০ জনের কাছ থেকে টেলিফোন পাচ্ছেন যারা তাঁর দলকে সমর্থন দেবে বলে জানিয়েছে৷

আইএলপি দলের হয়ে কাজ করছে প্রায় ২০ জন স্বেচ্ছাসেবক৷ যারা পোস্টার লাগানো, লিফলেট বিতরণ এসব কাজ করে থাকে৷ এদিকে চাকরির পয়সা দিয়েই দল চালাচ্ছেন কুমার৷ গত তিনবছরে মোট ২৫টি দম্পতিকে তিনি সফলভাবে বিয়ে দিতে পেরেছেন বলেও জানিয়েছেন৷ এরকম এক দম্পত্তি হলো লক্ষী ও শ্রীনিবাস৷ তারা বলছেন, কুমার না থাকলে তাদের বিয়েটা সম্ভব হতনা কারণ শ্রীনিবাসের বাবা হলেন সরকারি কর্মকর্তা আর লক্ষীর বাবা একজন গরিব শ্রমিক৷

ইতিমধ্যে তাঁর দলের বিরুদ্ধে প্রচার প্রচারণা শুরু হয়ে গেছে৷ ভ্যালেন্টাইনস ডে'কে সমর্থন করায় আইএলপি দলের সমালোচনা করেছে রক্ষণশীল ‘হিন্দু মাক্কাল কাচ্চি' দল৷ তারা বলছে, এটা ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়