1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ভারতের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরলেন ক্যোলার

জার্মান প্রেসিডেন্ট হর্স্ট ক্যোলার তাঁর ভারত সফরকালে শুধু রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গেই আলোচনা করেন নি – জার্মান ভাষা শিক্ষার্থী ও বুদ্ধিজীবিদের সঙ্গেও তিনি কিছুটা সময় কাটিয়েছেন৷

default

ভারতের সাফল্য ও সম্ভাবনার বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন জার্মান প্রেসিডেন্ট

নতুন দিল্লির মাক্স ম্যুলার ভবনে একদল ছাত্রছাত্রীর সঙ্গে খোলামেলা আলাপ করতে গিয়ে ক্যোলার জানতে চান, জার্মান ভাষায় কোন বিষয়টি তাদের সবচেয়ে বেশী ভাল লাগে৷ অনেকেরই কণ্ঠে ছিল নানা জবাব, একজন শুধু বললেন যে ‘‘সবই ভাল লাগে, তবে সবচেয়ে বেশী ভাল লাগে ব্যাকারণ৷'' জার্মান ভাষার বিষয়ে এত উৎসাহ দেখে ক্যোলার অত্যন্ত মুগ্ধ হয়ে বললেন, ‘‘এদের যখন দেখি, তখন মনে হয় এরা শুধু ভারতের ভবিষ্যৎ নয় – বিশ্বের অন্যান্য প্রান্ত, হয়তো বা জার্মানিরও ভবিষ্যৎ হতে পারে৷''

Indien Deutsch lernen beim Goethe-Institut in New Delhi

জার্মান ভাষার প্রতি ভারতে আগ্রহ বাড়ছে

ক্যোলারের ভারত সফরের দ্বিতীয় দিনটি জুড়ে প্রাধান্য পেয়েছিল সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আদান-প্রদানের বিষয়টি৷ ভারতীয় বুদ্ধিজীবিদের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন তিনি৷ সহযোগিতার ভিত্তিতে নতুন এক এক বিশ্ব ব্যবস্থায় ভারতের ভূমিকা কী হতে পারে, আলোচনায় সেই বিষয়টি উঠে এল৷ ক্যোলার এপ্রসঙ্গে বলেন, মন দিয়ে পরস্পরের বক্তব্য শুনে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে হবে৷ ভারতে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে আলোচনায় তিনি গভীর এক পূ্র্ণতা বোধের ছাপ পেয়েছেন, দেশের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে নতুন সদিচ্ছার লক্ষণ দেখেছেন তিনি৷ ক্যোলার বলেন, ‘‘একশো কোটিরও বেশী মানুষকে চিরকাল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, জীবনযাত্রার উন্নতি থেকে বঞ্চিত রাখা যায় না৷ লক্ষ লক্ষ মানুষ এমন অবস্থায় রয়েছে, যা মানবিক মর্যাদার সঙ্গে খাপ খায় না৷ আমার মতে, সেকারণেই আমাদের সবার স্বার্থে, বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে সেদেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হবে৷''

ভারতের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে যেসব রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে, তাঁরা সবাই ভারতের দরিদ্র শ্রেণীকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে সামিল করার কথা বলেছেন, বলেন ক্যোলার৷ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের উপর সবচেয়ে বেশী জোর দিয়েছেন তাঁরা৷ তবে ক্যোলারের মতে, ভারতের সামাজিক সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব ভারতের একার নয় – শিল্পোন্নত বিশ্বকেও ন্যয্য এক কাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অবদান রাখতে হবে৷ ক্যোলার বলেন, ‘‘আমাদের নিজেদের কার্বন নির্গমনের মাত্রা কমাতে হবে, যাতে এখানে সবাই বুঝতে পারে যে এই কাজ আমাদের জন্যও সহজ নয়৷ কারণ আমরাই, অর্থাৎ উত্তর গোলার্দ্ধের দেশগুলি উষ্ণায়নের জন্য মূলত দায়ী৷ ভারতের মত দেশের আজ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রয়োজন৷ অতএব আমাদের সহযোগিতা ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে, প্রবৃদ্ধি যাতে নির্গমনের উপর নির্ভরশীল না হয়৷''

প্রতিবেদন: বেটিনা মার্ক্স, ভাষান্তর: সঞ্জীব বর্মন, সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল ফারূক