1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ভারতের তিনটি দক্ষিণী রাজ্যে ভোট নির্বিঘ্নে

ভারতের তিনটি দক্ষিণী রাজ্য তামিলনাড়ু,কেরালা ও পুডুচেরি বিধানসভার মোট ৪০৪টি আসনের ভোটপর্ব আজ শেষ হয় নির্বিঘ্নে৷ তামিলনাড়ুতে ভোট পড়ে ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ, কেরালায় ৭০ শতাংশ এবং পুডুচেরিতে ৫৬ শতাংশ৷

default

করুনানিধির ডিএমকে-কংগ্রেস জোট চাপের মুখে

তামিলনাড়ুতে দুই প্রধান প্রতিপক্ষ হলো শাসক দল করুনানিধির ডিএমকে-কংগ্রেস জোট বনাম বিরোধী নেত্রী জয়ললিতার এআইএডিএমকে জোট৷ রাজ্যের ২৩৪টি আসনে লড়ছে ২,৭৫৮ জন প্রার্থী৷ ভোট পড়ে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ৷ শাসক দলের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ দুর্নীতি৷ শাড়ি, টাকা ও এক বোতল মদ দিয়ে ভোট কেনে বলে ডিএমকের বদনাম আছে৷ নির্বাচন কমিশন বিষয়টির দিকে কড়া নজর রাখলেও তা বন্ধ করা যায়নি পুরোপুরি৷ ভোটারদের মধ্যে টাকা বিলি করার জন্য রাখা ৪০ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ৷ এই অর্থ হিমবাহের চুড়ো বলে অভিহিত করেছে নজরদারি বিভাগ৷ এই সূত্রে গ্রেপ্তার করা হয় টু-জি স্পেকট্রাম দুর্নীতির খলনায়ক প্রাক্তন টেলিকম মন্ত্রী ডিএমকে দলের এ রাজার ভাই কালিয়াপেরুমলকে৷ সরকার বিরোধী অন্যান্য ইস্যুগুলির মধ্যে আছে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সংকট, স্বজনপোষণ, পক্ষপাতিত্ব৷ বিরোধী নেত্রী জয়ললিতার নির্বাচনী প্রচারের স্লোগান ছিল, গণতন্ত্র বনাম পরিবারতন্ত্র৷ মুখ্যমন্ত্রী করুণানিধির বিশাল পরিবার বলতে গেলে তামিলনাড়ুর সর্বেসর্বা৷ তামিলনাড়ু ভোটে এবার সরকার-বিরোধী হাওয়া তেমন না থাকলেও ভোটের গতিপ্রকৃতিতে নির্বাচনী বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন করুণানিধির ডিএমকে তেমন সুবিধা করতে পারবেনা৷ কংগ্রেসকে দরকার হবে৷ এমনও হতে পারে জয়ললিতা দাঁও মারতে পারে৷

Buchautor Shashi Tharoor

কেরালায় কংগ্রেসের হয়ে জোরদার প্রচার চালিয়েছেন শশী থারুর

কেরালায় ১৪০টি আসনের লড়াই সিপিআই-এমের নেতৃত্বাধীন শাসকজোট এলডিএফ বনাম কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জোট৷ কেরালার মজা হলো গত ৩০ বছর ধরে দেখা গেছে কোন জোটই এক নাগাড়ে একবারের বেশি ক্ষমতায় থাকেনি৷ পালাবদল হয়েছে প্রতিবার৷ এবারেও তার পুনরাবৃত্তি হবার আশা রাখছেন কেরালার কংগ্রেস নেতা প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কে অ্যান্টনি৷ দ্বিতীয়ত, কেরালায় সিপিএমের নেতৃত্বে ফাটল স্পষ্ট৷ মুখ্যমন্ত্রী অচ্যুতানন্দন৷ বিরোধী পি.বিজয়ন শিবির প্রথমে অচ্যুতানন্দনকে টিকিট দেয়নি৷ পরে অবশ্য দিয়েছে৷ পাশাপাশি কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফের মধ্যেও আসন বণ্টন নিয়ে মতভেদ সামনে আসে৷ তা সত্ত্বেও ইউডিএফের অবস্থা তুলনামূলকভাবে ভাল৷ ইউডিএফের দিকে যেতে পারে মুসলিম, খ্রিস্টান ও উচ্চবর্ণের হিন্দু ভোট৷ বামজোটের প্লাস পয়েন্ট শক্তিশালী সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা৷ তার সুবাদে সমাজের নিম্নবর্গের সঙ্গে কৃষিজীবীদের ভোট৷ সব থেকে বড় কথা, বামজোট-সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নেই৷

কেন্দ্রশাসিত পুড়ুচেরির ৩০টি আসনে লড়াইটা মূলত কংগ্রেস বনাম বিদ্রোহী কংগ্রেসের মধ্যে৷ যুযুধান দু পক্ষের জোটসঙ্গী দ্রাবিড় দল৷ বিদ্রোহী কংগ্রেসের সঙ্গে আছে এআইএডিএমকে৷ শাসক কংগ্রেসের সঙ্গে ডিএমকে৷ চিরাচরিতভাবে পুডুচেরিতে কংগ্রেসেরই আধিপত্য বেশি৷ তিনটি রাজ্যে বিজেপির নির্বাচনী উপস্থিতি নামমাত্র৷

অনিল চট্টোপাধ্যায়, নতুনদিল্লি

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন