1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

ভারতের জন্য অন্য এক লড়াইয়ে বিন্দ্রা

আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে ভারতের বেশিরভাগ খেলা ও ক্রীড়াবিদ নিষিদ্ধ হয়ে আছেন গত ডিসেম্বর থেকেই৷ আইওসির এই নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে ক্রীড়াঙ্গনকে বড় ক্ষতির হাত থেকে বাঁচানোর লড়াইয়ে নামছেন অলিম্পিক সোনাজয়ী শুটার অভিনব বিন্দ্রা৷

২০১০ সালে কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক ছিল ভারত৷ সে কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ যতটা গর্বিত, লজ্জা বা অস্বস্তির মাত্রা বোধহয় তার চেয়ে অনেক বেশি৷ গর্বকে ম্লান করে দেয়ার কারণ আয়োজনে খুব চোখে পড়ার মতো কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি, সর্বোপরি দুর্নীতির অভিজোগ৷ কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত অনেকেরই যে সমাজে বিশেষ দাপট, তা পরিষ্কার হয়েছিল কমনওয়েলথ গেমসে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ললিত ভানোত ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (আইওসি)-এর মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ায়৷ আন্তর্জাতিক অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (আইওসি) বিষয়টি মেনে নেয়নি৷ সততা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা এক ব্যাক্তিকে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ এক দায়িত্বে বসানোয় ভারতে সদস্যপদ বাতিল ঘোষণা করে আইওসি৷ সেই থেকে আইওসির তালিকাভূক্ত প্রতিটি খেলায় ভারতের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ৷ বড় কোনো আসরের আয়োজক হওয়ার অধিকারও তাদের নেই৷

এই নিষেদ্ধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আবেদন জানানোর জন্য আগামী ১৫ই মে আইওসির সঙ্গে বৈঠকে বসবে ভারতের এক প্রতিনিধি দল৷ আইওসি কড়া ব্যবস্থা নেয়ার পর ললিত ভানোতকে আর দায়িত্বে রাখা হয়নি, সেই নির্বাচনকে বৈধতা না দিয়ে পরবর্তী নির্বাচনের আগ পর্যন্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বিজয় কুমার মালহোত্রাকে৷ ভারত মনে করে এ অবস্থায় আইওসির উচিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়া৷ ‘উচিত' কাজটি আইওসিকে দিয়ে করাতেই পাঁচ জনের প্রতিনিধি দল গড়া হয়েছে৷ ক্রীড়ামন্ত্রী জিতেন্দর সিংয়ের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এই দলে সবচেয়ে বড় তারকা অভিনব বিন্দ্রা৷ ২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকে সোনা জেতা এই শুটারও কিন্তু আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারছেন না আইওসির নিষেধাজ্ঞার কারণেই৷

এসিবি/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন