1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

‘ভবিষ্যতে রেফারিরা হয়ত আত্মহত্যা করবেন'

ফুটবল মাঠে খেলেন ২২ জন৷ সবার চোখ থাকে তাঁদের দিকেই৷ কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে রেফারি হয়ে ওঠেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ৷ তখন তাঁদের এমন অবস্থাও হয় যে এক সাবেক রেফারি মনে করেন, ভবিষ্যতে অনেক রেফারি হয়ত আত্মহত্যা কববেন৷

ফুটবল ম্যাচে দর্শক অসন্তোষ আর খেলা পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত রেফারিদের ওপর খেলোয়াড় এবং দর্শকদের চড়াও হওয়ার ঘটনা ঘটেনি এমন দেশ বোধহয় একটাও নেই৷ গত বছর ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এমন ভয়াবহ কিছু ঘটেনি৷ তবে যেটুকু ঝড় তাঁর ওপর দিয়ে গিয়েছে, সেটুকু আর না বাড়াতে মৌসুম শেষেই ফুটবল মাঠকে বিদায় জানান মার্ক হ্যালসে৷ অবসরের পর বসে থাকেননি তিনি৷ আত্মজীবনী লিখেছেন, যা আবার ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে ‘দ্য সান' পত্রিকায়৷ সেখানেই হ্যালসে লিখেছেন রেফারি এবং সহকারী রেফারিদের নিয়ে তাঁর আশঙ্কার কথা৷ মাঠে তাঁদের প্রচণ্ড চাপের মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে দেখে হ্যালসের আশঙ্কা, ‘‘রেফারিদের স্নায়বিক বিপর্যয় দেখা দিতে বোধ হয় আর বেশি বাকি নেই৷ আমার তো মনে হয়, এক্ষুনি যদি আমরা তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং মাঠের অবর্ণনীয় চাপ নিয়ে কিছু না করি, তাহলে অচিরেই হয়ত রেফারিদের আত্মহত্যা করতেও দেখবো৷''

গত বছর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড-লিভারপুল ম্যাচে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল হ্যালসের৷ ম্যানইউ ২-১ গোলে জিতেছিল৷ কিন্তু ফলাফল মেনে নিতে পারেননি লিভারপুল সমর্থকরা৷ সে সময় হ্যালসের কাছে আসতে থাকে হাজার হাজার টুইটার বার্তা৷ সেখানে রেফারির উদ্দেশ্যে মনের সব ঝাল ঝাড়তে গিয়ে মানবিকতার সীমাও লঙ্ঘন করেছিলেন বেশ কিছু উগ্র সমর্থক৷ ২০০৯ সাল থেকে ক্যানসারে ভুগছেন হ্যালসে৷ সেই ম্যাচের পর তাঁর বেঁচে থাকার জন্য মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই নিয়েও কটাক্ষ শুনতে হয়েছে তাঁকে৷ অসন্তোষ প্রকাশের ধরণ যদি এমন হয় তাহলে হ্যালসে রেফারিদের ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কিত না হয়ে পারেন!

এসিবি/ডিজি (এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন