1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

ভবিষ্যতের শহর তৈরি করছে জার্মান বিজ্ঞানীরা

গাড়ি কি পরিবেশ দূষণের বদলে পরিবেশ সুরক্ষায় ব্যবহার সম্ভব? কিংবা বাড়ির ছাদে পশুপালনের কথা ভেবেছেন কখনো? জার্মান বিজ্ঞানীরা কিন্তু ভাবছেন এসব৷ তাঁদের গড়া ভবিষ্যতের শহরে গাড়ি করছে পরিবেশ সুরক্ষা, আর ছাদে থাকছে গবাদি পশু!

স্টুটগার্টের ফ্রাউয়েনহোফার ইন্সটিটিউটে ভবিষ্যতের শহর নিয়ে গবেষণা চলছে৷ ভবিষ্যতের মহানগরীগুলো আরো বসবাসের উপযোগী এবং টেকসই করে গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা শহরগুলো কিভাবে আরো শান্ত, পরিষ্কার এবং পরিবেশবান্ধব করা যায় – সেদিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে৷ একটি সম্ভাব্য উপায় হচ্ছে, ভবিষ্যতের বাড়ি-ঘর এবং দালানকোঠাগুলো নিজেদের প্রয়োজনীয় শক্তি নিজেরাই তৈরি করবে৷

বাড়ির ছাদও বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে৷ সেখানে বাগান তৈরি হতে পারে৷ করা যেতে পারে চাষাবাদও৷ যা অনেক দূর থেকে নগরে খাবার পরিবহনের চাপ কমাতে সহায়ক হবে৷ ফ্রাউয়েনহোফার ইন্সটিটিউটের স্টেফেন ব্রাউন এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘বর্তমানে মিলিয়ন মিলিয়ন বর্গমিটার ছাদ শুধুমাত্র শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার যন্ত্রপাতি রাখার কাজে ব্যবহার হচ্ছে৷ কিন্তু এসব ছাদের উপর ভরসা করে চাষাবাদের বিষয়গুলি শহরে নিয়ে আসা যায়৷ বর্তমানে অনেক প্রকল্পের মাধ্যমে ছাদের ছোট্ট জায়গায় চাষাবাদ কিংবা পশুপালনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে৷ এছাড়া জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ কিংবা নগরে নানা কিছু সরবরাহের জন্য এই জায়গা ব্যবহার করা যেতে পারে কিনা তাও বিবেচনা করা হচ্ছে৷''

ফ্রাউয়েনহোফার ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ভিলহেল্ম বাওয়ার কিছু সমস্যার কথা বললেন যা ভবিষ্যতের নগরে থাকা উচিত হবে না৷ তিনি বলেন, ‘‘যেমন রাস্তায় যানজট এবং অন্যান্য সমস্যা, ব্যয়বহুল জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যাসহ অনেক জটিলতা বিশ্বের বিভিন্ন শহরে রয়েছে৷''

ভবিষ্যতের ভার্চুয়াল শহরে গাড়ি বাতাস বিশুদ্ধ করবে৷ বিভিন্নভাবে জ্বালানিও সাশ্রয় করা হবে, জানান ড. বাওয়ার৷ তিনি বলেন, ‘‘আমরা ভবিষ্যতের একটি মহানগরী তৈরির চেষ্টা করছি, যেখানে সবসময় উচ্চমানের জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে৷ আর এমন নগরের সুবিধা সবাই যাতে গ্রহণে সমর্থ হয় সেদিকটাও বিবেচনা করছি আমরা৷''

বলাবাহুল্য, ভবিষ্যতের মহানগরী এখনো টেলিভিশনের পর্দায় সীমাবদ্ধ রয়েছে৷ তবে এসব ধারণা একদিন আমাদের মহানগরীগুলো আরো বসবাসযোগ্য এবং টেকসই করে তুলবে, এমন আশা করাই যায়৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক