1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

ভবিষ্যতের বাসস্থান নিজেই ভাববে...

কিচেনে হাইটেক: রান্নার পন্থা বাতলে দেবে ডিজিটাল মেশিন৷ তারপর বাড়ির কর্তার সঙ্গে মেমরি খেলতে বসবে আরেক রোবোট৷ এ যুগের মানুষের বিচ্ছিন্নতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছে আগামী যুগের কনেক্টিভিটি!

দেখলে মনে হবে যেন এক টুকরো কার্পেট, কিন্তু আসলে ‘হাইটেক'৷ সেন্সর লাগানো এই ধরনের ‘ম্যাট' এই ল্যাবোরেটরি তথা ফ্ল্যাটটির সর্বত্র পাতা আছে৷ এছাড়া লুকনো ‘মাইক্রোফোন' আর ‘মোশান ডিটেক্টর'৷ এই সব দিয়ে ফ্ল্যাটের অধিবাসীদের স্বভাব আর আচার-আচরণ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে৷ এ ভাবেই নাকি বিজ্ঞানীরা প্রযুক্তির মাধ্যমে তাদের সাহায্য করতে পারবেন: যেমন রান্না করার সময়! বিলেফেল্ড-এর সাইটেক ইউনিভার্সিটির গেরেয়ন ব্যুশার বলেন, ‘‘ধরুন এই ঠান্ডা ফলের সুপ৷ এটাকে না ছুঁয়েই বোঝা যাবে, এটা নিশ্চয় এখন তৈরি, এটাকে আরো দশ মিনিট ফেটানোর কোনো প্রয়োজন নেই৷''

চালাকির রান্না

পরে এই রান্নার ‘জিন' রেসিপি বাতলে দেবে, অথবা সাবধান করে দেবে যে, রান্না পুড়ে যেতে চলেছে! এর বিশেষত্বটা হলো: এ প্রযুক্তি তার মক্কেলকে চেনে এবং সব সময়েই সেই মক্কেল সম্পর্কে নতুন কিছু শিখছে৷ সাইটেক ইউনিভার্সিটির সমন্বয়কারী প্রফেসর হেলগে রিটার বলেন, ‘‘আগামীর কিচেন-কে জানতে হবে, আমি কী খেতে ভালোবাসি এবং কী খেলে আমার ভালো হয় – কিন্তু আমার ওপর ওপরচালাকি করার চেষ্টা করবে না; আমি যা রাঁধতে ভালোবাসি, তা বদলানোর চেষ্টা করবে না; বরং আমার এবং আমার পরিবারের পক্ষে যা ভালো, তাই রান্না করতে উৎসাহ দেবে৷''

জার্মানির ‘মিলে' কোম্পানির ওয়াশিং মেশিন, ডিশওয়াশার, ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ইত্যাদি তৈরিতে বিশ্বজোড়া নাম৷ ইতিমধ্যেই তাদের প্রতি দশটি মেশিনের মধ্যে একটিতে নানা ধরনের ডিজিটাল ফাংশন থাকে, যেমন স্মার্টফোন দিয়ে মেশিন চালানো৷ তবে ‘মিলে' এবার চায়, যাতে ভবিষ্যতে কথা বলে কিংবা হাত নেড়ে তাদের মেশিন চালানো যায়৷

‘মিলে' কোম্পানির এডুয়ার্ড জাইলার জানান, ‘‘গ্রাহকের মনে হবে, তিনি এমন কারোর সঙ্গে কথা বলছেন, যে বুদ্ধিমানের মতো জিনিসগুলো বুঝতে পারে৷ যেখানে সব সময় মেনু ঘেঁটে দেখতে হয় না, কী করে এটা করতে হয়, ওটা করতে হয়৷ বরং যেন কোনো সাথির সঙ্গে কথা বলা যায়৷''

যান্ত্রিক সহচর

ভবিষ্যতের রোবোটরাও ঐ রকম সাথির মতো হবে৷ বিলেফেল্ড-এর গবেষকরা তাদের স্পর্শের অনুভূতি বাড়াতে চান, যাতে ঐ রোবোটরা এক গ্লাস জল এনে দিতে পারে কিংবা হ্যান্ডশেক করতে পারে৷ প্রফেসর রিটার বলেন, ‘‘আমাদের ইচ্ছা হলো যে, এই প্রযুক্তির ফলে আমি যেন একটু বয়স হওয়ার পরে, পরের সাহায্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে যাওয়ার পরেও আমার নিজের ফ্ল্যাটেই থাকতে পারি৷''

রোবট বলছে, ‘‘সেকেন্ড রো-তে এবার কার্ডটা খোলো!''

ফ্লোবি-র মতো একটি সার্ভিস রোবোট ‘মেমরি' খেলতে পারে তো বটেই, এমনকি তার উচ্চাকাঙ্ক্ষারও কমতি নেই...

শেষে সে বললো, ‘‘আবার আমি জিতলাম! এবার তোমাকে একটু নড়েচড়ে বসতে হবে...''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক