1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ব্লগারদের শাস্তির পক্ষে অনেকে, তবে...

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে চার ব্লগারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন সম্পর্কে অনেক লেখালেখি হয়েছে৷ এখনো হচ্ছে৷ ডয়চে ভেলে বাংলা বিভাগের ফেসবুকে এ নিয়ে মন্তব্য এসেছে অনেক৷

‘‘ইন্টারনেটে বিভিন্ন ব্লগে ইসলাম ধর্ম নিয়ে উসকানিমূলক মন্তব্য ও কটূক্তির দায়ে আসিফ মহিউদ্দীনসহ চার ব্লগারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে ঢাকার একটি আদালত৷ অভিযোগ প্রমাণ হলে তাদের সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে৷ প্রিয় পাঠক, আপনি কি ব্লগারদের এই বিচার সমর্থন করেন?'' – ঠিক এভাবেই পাঠকদের কাছে মন্তব্য চাওয়া হয়েছিল৷ খবরটিতে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ‘লাইক' দিয়েছেন ৫৮৯ জন৷ মন্তব্যও এসেছে অনেক৷ সেখানে শাহিন সরকার, শামিম মেহেদি, জাহাঙ্গীর কবীর, নওয়াজ মারজানসহ বেশির ভাগ মন্তব্যকারীই জানিয়েছেন, বিচার তাঁরা সমর্থন করেন৷ কঠোরতর শাস্তিও দাবি করেছেন অনেকে৷ তুলনায় কম হলেও ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা'-র কথা বলে কয়েকজন আবার ব্লগারদের মুক্তিও দাবি করেছেন৷

Protest in Dhaka

ডয়চে ভেলের ফেসবুকে কয়েকজন ব্লগারদের মুক্তিও দাবি করেছেন

আক্তার হোসেন হোসেন অভিযুক্ত চার ব্লগারের শাস্তির পক্ষে কথা বলেছেন উদার যুক্তিতে, তিনি লিখেছেন, ‘‘ধর্ম নিয়ে কটূক্তি কখনোই কাম্য নয়৷ এতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়৷ কাজেই শাস্তি তো হওয়াই উচিত৷''

কুতুব আত্তারি ইশতির যুক্তিটা এরকম, ‘‘বিষয়টা হচ্ছে, তারা আস্তিক বা নাস্তিক – এটা তাদের ব্যাপার৷ কিন্তু অন্য কারো ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কটূক্তি করার অধিকার তাদের নেই৷ তারা এ ধরনের জঘন্য লেখা লিখে দেশকে সংঘাতের পথে ঠেলে দিয়েছেন৷ এটাকে উপজীব্য করে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি রাজাকারদের বিচার বানচাল করার চেষ্টা চালাচ্ছে৷''

দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী কেউ কোনো অন্যায় করলে বিচার এবং শাস্তি হতেই পারে৷ এ নিয়ে মতামত এবং মত প্রকাশের ধরণ নানা রকম হতেই পারে৷ তবে সব বিষয়ে মন্তব্য করার সময়ই ধর্ম, গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং তার কিছু ‘সীমাবদ্ধতা' সম্পর্কে সচেতন থাকতে পারা খুব প্রশংসনীয়৷

সংকলন : আশীষ চক্রবর্ত্তী

সম্পাদনা : সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়