1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ: কী ‘নাম' হলে ভালো হয়?

বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে কীভাবে তুলে ধরা উচিত? সর্বোচ্চ বাণিজ্যিক সুবিধা আদায়ের ভাবনাটাও যদি গুরুত্বপূর্ণ হয়? ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ', ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ', ‘স্টেবল বাংলাদেশ' হয়ে এখন ‘ভাইব্রেন্ট বাংলাদেশ'-এ এসে ঠেকেছে৷

বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে কোন বিশেষণে তুলে ধরলে সব বিচারে যথার্থ বা সবার কাছে মোটামুটি গ্রহণযোগ্য হবে? অনেক শব্দজোড়ই বিবেচনায় এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষায় এসেছে৷ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকে সবার মনযোগ আকর্ষণ করতে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ', আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের কাছে প্রায় স্লোগান হয়ে যাওয়া ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ', কিংবা স্থিতিশীলতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে চলার মানসিকতা বোঝাতে ‘স্টেবল বাংলাদেশ' ­– এ সবের মধ্যে কোনটা বেশি ভালো? বাংলাদেশের ‘ব্র্যান্ড ইমেজ' হিসেবে কোনোটাই বেমানান নয়৷ কিন্তু সবচেয় গ্রহনযোগ্য কোনটি?

সম্প্রতি কথা উঠেছে ‘ভাইব্রেন্ট বাংলাদেশ' হলে কেমন হয়? বাংলায় যার অর্থ ‘স্পন্দনশীল বাংলাদেশ'-এর মতো একটা কিছু৷ এর পক্ষে আলোচনাও শুরু হয়েছে৷ আলোচনার সূত্রপাত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ বিরুপাক্ষ পাল৷ ইংরেজি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এক নিবন্ধের সূত্রে জানা যায়, বিরুপাক্ষ পাল মনে করেন, ‘ভাইব্রেন্ট বাংলাদেশ'-ই হওয়া উচিত বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং৷

বিশ্বের বেশির ভাগ দেশই ব্র্যান্ডিংকে গুরুত্ব দিচ্ছে৷ নানা বিজ্ঞাপনে তা প্রকাশও পাচ্ছে৷ ভারত বেছে নিয়েছে ‘ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া', মালয়েশিয়া পরিচিত হয়ে উঠছে ‘ট্রুলি এশিয়া' নামে, ‘রিফ্রেশিংলি শ্রীলঙ্কা' আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শ্রীলঙ্কার পরিচয় হিসেবে প্রায় প্রতিষ্ঠিত৷ বিজ্ঞাপনে থাইল্যান্ড নিজেকে তুলে ধরছে ‘অ্যামেজিং থাইল্যান্ড' নামে৷ কিন্তু বাংলাদেশের এখনো কোনো ব্র্যান্ডিং হয়নি৷ এমনকি রয়েল বেঙ্গল টাইগার দিয়ে বাংলাদেশকে তুলে ধরার যৌক্তিকতাও এখন প্রশ্নবিদ্ধ৷

এসিবি/ডিজি

নির্বাচিত প্রতিবেদন