1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ব্রেক্সিট জিতল, জনসন গেলেন... এবার?

ব্রাসেলসে সরকারিভাবে ব্রেক্সিটের আবেদন দাখিল করবেন যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী, কেননা ডেভিড ক্যামেরন বিদায় নিচ্ছেন৷ এবার বরিস জনসনও বিদায় নিলেন৷ বাকি রইলেন মাইকেল গোভ, টেরেসা মে...৷

কনজারভেটিভ দলের নেতৃত্বের জন্য যে পাঁচজন প্রার্থী নাম লিখিয়েছেন, তাদের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেরেসা মে-ই আপাতত এগিয়ে রয়েছেন৷ ব্রেক্সিট ভোটের আগে তিনি ‘রিমেইন' তরফে, অর্থাৎ ইইউ-তে থাকার পক্ষে ছিলেন৷ তবে এ-ও বলেছেন যে ভোটের ফলাফল তিনি মেনে চলবেন৷ তিনি আরো বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী হলে, আগামী বছরের আগে বাস্তব ‘এক্সিট' প্রক্রিয়া শুরু করবেন না৷ কনজারভেটিভ নেতৃত্বের দৌড়ে টেরেসা মে'র নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মাইকেল গোভ-ও বলেছেন, তিনি কোনো সময়সূচিতে আবদ্ধ হবেননা, বরং ইইউ ত্যাগ সংক্রান্ত আলাপ-আলোচনা তখনই শুরু করবেন, যখন তা ‘ব্রিটেনের পক্ষে উপযুক্ত' হবে৷

কিন্তু ব্রেক্সিট বাস্তবে পরিণত হবার আগেই বাস্তবে তার ফলশ্রুতি দেখা দিতে শুরু করেছে, যার মধ্যে সবচেয়ে উদ্বেগজনক হলো ব্রিটেনে বিদেশি-বহিরাগতদের প্রতি তথাকথিত ‘হেট-ক্রাইম' বা বিদ্বেষ ও বৈষম্যমূলক আচরণের ঘটনা বৃদ্ধি৷ পুলিশ রিপোর্ট অনুযায়ী, ব্রেক্সিট ভোট হওয়ার পর ‘রেস-হেট' অর্থাৎ জাতিবিদ্বেষ সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা পাঁচগুণ বেড়েছে৷ ম্যানচেস্টারের একটি ট্রামে এ ধরনের একটি দৃশ্য ভিডিও হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়াকে সচকিত করেছে৷

দৃশ্যত ব্রিটেনের ইইউ-এর সঙ্গে ‘বিচ্ছেদের' সরকারি কাগজপত্র দাখিল করতে, অর্থাৎ লিসবন চুক্তির ৫০ নম্বর সূত্রটি সক্রিয় করতে কোনো তাড়া নেই৷ এমনকি তার আগেই ইইউ'র সঙ্গে ভবিষ্যৎ বাণিজ্য নিয়ে কথা বলতেই বেশি আগ্রহ৷ কিন্তু ইইউ'র বাণিজ্য কমিশনার সেসিলিয়া মাল্মস্ট্র্যোম স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, ‘‘আগে তোমরা বেরোও, তারপর আলাপ-আলোচনা হবে৷''

রাজনীতি আগে না বাণিজ্য আগে- এ সমস্যা শুধু বর্তমান ও ভবিষ্যৎ ব্রিটিশ সরকারেরই নয়৷ জার্মান শিল্পবাণিজ্যের ব্রিটেনে বিপুল কর্মকাণ্ড আছে৷

অপরদিকে বহু আন্তর্জাতিক, বহুজাতিক সংস্থা লন্ডন থেকে কিভাবে তাদের ইইউ ব্যবসা চালাবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে - যেমন ভোডাফোন৷

এসি/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন