1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ব্রেক্সিটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন কি আবার জেগে উঠবে?

ব্রেক্সিট ভোটের পর নিজের লক্ষ্য সফল হয়েছে দাবি করে নিজ দল থেকে পদত্যাগ করেছেন ইউকিপ নেতা নাইজেল ফারাজ৷ এদিকে ইইউ কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই ভোটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন আবারো জেগে উঠবে৷

ফারাজ জানিয়েছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের সরে আসার সিদ্ধান্ত গণভোটে অনুমোদিত হওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সফল হয়েছে৷ ‘ব্রেক্সিটে'-র পর তাঁর দলের গণভিত্তি আরও জোরদার হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি৷

গত বছর ব্রিটেনে সাধারণ নির্বাচনের পর ফারাজ দল থেকে সরে গিয়েছিলেন৷ সে বার কনজারভেটিভদের (টোরি) হয়ে কোস্টাল কেন্ট আসনে পরাজিত হয়েছিলেন ফারাজ৷ কিন্তু, দলীয় কর্মীদের চাপে এর কিছু দিন পরেই মত বদলে ফের পুরনো দলে ফেরেন ফারাজ৷ তবে এ বার আর সেই সম্ভাবনা নেই বলে দাবি করেছেন তিনি৷

ব্রেক্সিট পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে একটি মতামত লিখেছেন ডয়চে ভেলের ডাহং জাং৷ তিনি বলছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটা ধারা আছে যে তারা মনে করে প্রতিটি রাষ্ট্র আলাদা কিছু নয়৷ যেমন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজধানী কী হবে? ১৯৫১ সালে ইউরোপীয় কয়লা ও ইস্পাত শিল্পের সাথে জড়িতরা এ নিয়ে আলোচনায় বসেছিলেন৷ তখন লুক্সেমবুর্গকে নির্বাচিত করা হয়েছিল৷ গত ছয় দশক ধরে এভাবেই চলে আসছে৷ ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট জঁ-ক্লোদ ইয়ুংকার ‘ডেয়ার স্পিগেল' পত্রিকাকে ১৯৯৯ সালে বলেছিলেন, ‘‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমাদের আশেপাশের অবস্থান এবং সেখানে কী ঘটছে তা পর্যবেক্ষণ করবো৷ কেননা অনেকেই জানতে পারে না, আমরা কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছি৷ তাই আমরা আমাদের সিদ্ধান্তের প্রতিটা পদক্ষেপ তাদের সামনে তুলে ধরবো৷''

ইউরোপীয় রাজনীতি হলো নির্ভরশীলতার রাজনীতি৷ যদি ভুল পথে যায়, তবে কোনো সমস্যা নেই৷ চোখ বন্ধ করে চলতে থাকো৷ দীর্ঘ সময় লাগবে, তবে তুমি তোমার লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের মূল পন্থা হলো – ‘যার কোনো বিকল্প নেই৷' যেটা হবে না, সেটা কখনো হবার নয়৷ ব্রিটিশরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই পথে চলতে বিশ্বাসী ছিল না৷ তাদের যুক্তিকে ব্রিটিশরা মোটেও সন্তুষ্ট হয়নি৷ তার ফল গণভোট এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বিচ্যুতি৷

জার্মানি আর ফ্রান্সের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছিল ছয় দশক আগে, তাতে লাভ হয়েছিল দু'পক্ষেরই৷ তাই প্রতিবেশীদের না ক্ষেপিয়ে ঠিকই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করে আসছিল জার্মানি৷ প্রথমে ব্রিটিশরা নিজেদের ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমর্থক ও অভিভাবক হিসেবেই দেখছিল৷ তবে জার্মানির মত তাদের লক্ষ্য পূরণ হচ্ছিল না৷ তাই ব্রেক্সিট-এর এই ফলাফলের জন্য জার্মানিকে দায়ী করছেন অনেকে৷ ব্রিটিশরা ইউরোপীয় ইউনিয়নকে কোনো সংকটে ফেলেনি৷ এ সংকট ছিল অনেক আগে থেকেই৷ তাই ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকাণ্ড, এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্পর্কে দেশগুলোর জনগণের জানা উচিত৷ বিচ্ছেদের পরও বন্ধুর সাথে ভালো সম্পর্ক রেখেই চলা উচিত, শত্রুতা কোনো পথ নয়৷

এপিবি/ডিজি

ডাহং জাং-এর মতামতের সঙ্গে কি আপনি একমত? আমাদের জানান, লিখুন নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়