1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ব্রিটিশ নির্বাচনের ফল ত্রিশঙ্কু হতে পারে, বলছে সমীক্ষা

ব্রিটিশ নির্বাচনের বাকি নেই বেশিদিন৷ প্রধানমন্ত্রী ব্রাউন মঙ্গলবার সকালে যে দিনক্ষণ ঘোষণা করেছেন, তাতে বাকি মাত্র তেত্রিশ দিন৷ ক্ষমতাসীন লেবারদের হাল তেমন সুবিধের নয়, বলছে সমীক্ষা৷

default

ব্রিটিশ রক্ষণশীল দলের নেতা ক্যামেরন এবার আশাবাদী

সোনালি রোদে ভাসা প্রথম বসন্তের সকালবেলায় ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে সস্ত্রীক গর্ডন ব্রাউন কিছু উল্লসিত লেবার সমর্থকের সামনে নির্বাচনের যে নির্ঘন্ট জানালেন, তাতে আর মাত্র তেত্রিশ দিন বাকি৷ সাধারণ নির্বাচনের জন্য এই সময়টা অত্যন্ত যে তাতে আর সন্দেহ কী ? কিন্তু, সময় যতই কম হোক, লেবারদের প্রায় সতেরো বছরের শাসনের অবসান ঘটাব এমন একটা মানসিকতায় যথেষ্ট দৃঢ় দেখাচ্ছে বিরোধীদের৷

বিরোধী বলতে কনজারভেটিভ দল৷ নতুন শতাব্দে এ পর্যন্ত ব্রিটিশ ক্ষমতাকেন্দ্রে পা রাখতে তারা ব্যর্থ৷ প্রথমে ইরাক যুদ্ধ, তারপরে আর্থিক মন্দার মার, এইসব সরকার বিরোধী অভিযোগকে কাজে লাগিয়ে বিরোধী রক্ষণশীলরা তাই আশাবাদী, যে শিকে ছিঁড়বেই এই নির্বাচনে৷

Nato Konferenz Abschlusstag Gordon Brown

ব্রাউনের বিদায় নিশ্চিত, দাবি বিরোধীদের

কিন্তু শিকে কী আদৌ ছিঁড়বে ? আমজনতা নয়, প্রশ্নটা মিডিয়ার৷ আরও খোলসা করে বললে প্রশ্ন তুলছে নির্বাচনমুখী সমীক্ষা বা জনমত জরিপ৷ লেবারদের ওপর যে ভোটারকরা মহা খাপ্পা এমনটাও নয় আবার লেবারদের গলা জড়িয়েই যে ব্রিটিশরা থাকতে চান এমনটাও মনে হচ্ছে না৷ ফলে ত্রিশঙ্কু সংসদ হওয়ার সম্ভাবনার কথাই জোর দিয়ে বলছে সবগুলো জরিপ৷ বেশ বোঝা যাচ্ছে যে এই নির্বাচনে বহুদিন পর রক্ষণশীল বা কনজারভেটিভরা ভালো ফল যেমন করবে তেমনই কিছু ছোট দল যেমন লিবারাল ডিমোক্র্যাট বা উদার গণতন্ত্রীদের জন্যও ভালো সম্ভাবনা রয়েছে আগামী ৬ মে-র নির্বাচনে৷ লিবারাল ডিমোক্র্যাট দলের শীর্ষ নেতা নিক ক্লেগ ইতিমধ্যেই নেমে পড়েছেন প্রচারে৷ এবং সাফ বলছেন, ব্রাউন তথা লেবার জমানাকে ক্ষতম করতে একেবারে প্রস্তুত তাঁরা৷

তার মানে লড়াইটা হতে চলেছে ত্রিমুখী৷ ব্রাউনের লেবার দল, ক্যামেরনের কনজারভেটিভ আর ক্লেগ-এর লিবারাল ডিমোক্র্যাটরা৷ সময় খুবই কম৷ প্রচারের ব্যস্ততা যাকে বলে তুঙ্গে৷ আগামী কয়েকটা সপ্তাহ ব্রিটিশ রাজনীতির দিকেই চোখ থাকবে আন্তর্জাতিক মহলের৷ আর টিভির পর্দায় চোখ রাখবেন ব্রিটিশরা৷ কারণ, নির্বাচনী বিতর্ক এখন চলবে চ্যানেলে চ্যানেলে৷ তার সঙ্গেই ক্রমশ চড়বে ভোটের ব্যারোমিটার৷

প্রতিবেদক : সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্পাদনা : দেবারতি গুহ

সংশ্লিষ্ট বিষয়