1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ব্রান্ডেনবুর্গ তোরণে অনশন ধর্মঘট

দুনিয়া যখন লাম্পেডুসা উদ্বাস্তুদের ভাগ্য নিয়ে বিস্মিত, বিড়ম্বিত, তখন জার্মানিতে যাঁরা এসে পৌঁছেছেন, সেই উদ্বাস্তু ও রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীরাও তাঁদের ভাগ্যটা জানান দেবার চেষ্টা করছেন – অনশন ধর্মঘট করে৷

সম্ভবত লাম্পেডুসার কারণেই: জার্মানিতে সম্প্রতি সরকারের রাজনৈতিক আশ্রয় দেবার নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের সংখ্যা বেড়েছে, যেমন বেড়েছে সেই প্রতিবাদের উগ্রতা৷ তার সর্বশেষ নমুনা বার্লিনের ব্রান্ডেনবুর্গ তোরণে প্রায় ৩০ জন রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীর অনশন ধর্মঘট

প্লাস্টিকের শিট আর ছাতা দিয়ে কোনোমতে খাড়া করা কয়েকটা মাথা গোঁজার মতো তাঁবু; সেখানে ক্যাম্পিং ম্যাট পেতে শুয়ে থাকেন এই ধর্মঘটিরা, যেমন কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র থেকে আসা আকিলি জুল জাভা৷ জাভা তাঁর চামড়ার ওভারকোট গায়ে দিয়েই শুয়ে আছেন৷

‘‘আট দিন ধরে কিছু খাইনি, তিন দিন ধরে পানি পর্যন্ত খাইনি৷ আমার খুব দুর্বল লাগছে,'' বললেন জাভা৷ তাঁর মতো আরো ২৩ জন এই অনশন ধর্মঘটে সামিল৷ এর আগের দিনই আরো তিনজন ধর্মঘটিকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছে৷ ‘‘আমাদের দাবি একটাই: আমরা মানুষের মতো আচরণ চাই৷ যেখানে ইচ্ছে যেতে চাই৷ কাজ করার অনুমতি চাই,'' বলেন জাভা৷

Montagsdemonstration gegen Fluglärm

লাম্পেডুসা উদ্বাস্তুরা তাঁদের ভাগ্যটা জানান দেবার চেষ্টা করছেন অনশন ধর্মঘট করে

অনশন ধর্মঘটিদের অবস্থা ধীরে ধীরে উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছচ্ছে৷ ক্রমেই আরো বেশি ধর্মঘটি ক্লান্তি ও দুর্বলতায় ভেঙে পড়ছেন, অথচ অ্যাম্বুলেন্স এলেও তাঁরা যেতে চান না, কোথায় নিয়ে যাবে, সেই ভয়ে৷ এঁরা এসেছেন বাভারিয়া থেকে৷ এর আগে তাঁরা বাভারিয়ার রাজধানী মিউনিখে একটি অনুরূপ প্রতিবাদ শিবিরের আয়োজন করেছিলেন৷ পুলিশ সেটা ভেঙে দেওয়ার পর তাঁরা বার্লিনে আসেন৷

লাম্পেডুসার কাছে উদ্বাস্তুদের বোট ডুবে তিন শতাধিক মানুষের মৃত্যুর পর জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের বিক্ষোভ-প্রতিবাদ যেন আরো উগ্র হয়ে উঠেছে: হামবুর্গে এ ধরনের প্রতিবাদ অবশেষে দাঙ্গায় পর্যবসিত হয়েছে; কোলোন শহরে বিক্ষোভকারীরা একটি টেলিভিশন কেন্দ্র দখল করার চেষ্টা করেছে৷ বার্লিনের স্বরাষ্ট্র সেনেটর ফ্রাংক হেঙ্কেল সম্ভবত ঐ ধরনের সহিংসতা এড়ানোর জন্য ব্রান্ডেনবুর্গ তোরণের প্রতিবাদ শিবিরটি পুলিশ পাঠিয়ে ভেঙে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন৷

স্থানীয় ও ফেডারাল রাজনীতিকরা এই প্রতিবাদ শিবিরে এসে ধর্মঘটীদের সঙ্গে কথা বলেছেন, তাঁদের অন্তত কিছু পান করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন৷ ‘‘নয়ত এই প্যারিসার প্লাটৎসে শীঘ্রই একটি মৃতদেহ পড়ে থাকতে পারে,'' বলে সবুজ দলের সাংসদ কানান বায়রাম মন্তব্য করেন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়