1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

ব্রাজিল বিশ্বকাপের আরেক চিন্তা মাস্তানি

এসে গেল ২০১৪৷ আরেকটি ফুটবল বিশ্বকাপের বছর৷ আবারও প্রিয় দলের সমর্থনে চিৎকার চ্যাঁচামেচিতে গলা ফাটানোর বছর৷ অন্য দলের সমর্থক বন্ধুদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ার বছর৷

এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম বিশেষত্ব হলো, খেলাটা হচ্ছে বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল দল ব্রাজিলের মাটিতে, সাম্বা নৃত্যের দেশে৷

কিন্তু গত কয়েকমাস ধরেই নানা আলোচনা, বিশেষ করে সমালোচনার, মুখে পড়েছে ব্রাজিল বিশ্বকাপের আয়োজন৷ সময়মতো স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শেষ না হওয়া, আয়োজন নিয়ে দুর্নীতি, এত অর্থ ব্যয় করে ব্রাজিলে বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সেদেশের নাগরিকদের একাংশের প্রশ্ন – সব মিলিয়ে ২০১৩ সালে ব্রাজিলের সমালোচনাই হয়েছে বেশি৷ তবে ডিসেম্বরে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সেসব সমালোচনার কিছুটা মুছে দিতে চেষ্টা করেছে দেশটি৷

Fussball Brasilien Fans

সাম্বা নৃত্যের দেশ ব্রাজিল

আরেক চিন্তা মাস্তানি

এত সব সমালোচনার সঙ্গে যোগ হলো বছর শেষের আরেক তথ্য৷ ২০১৩ সালে নাকি ব্রাজিলে ফুটবল সংক্রান্ত বিভিন্ন হামলার ঘটনায় ৩০ জন নিহত হয়েছে৷ ২০১২ সালের তুলনায় অবশ্য সংখ্যাটা একজন কম৷ কিন্তু তারপরও এতজন সমর্থকের মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চয় ভালো কিছু নয়৷ এই তো ডিসেম্বর মাসেই ব্রাজিলের স্থানীয় লিগের দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা টেলিভিশনে সরাসরি দেখা গেছে৷ দর্শকরা দেখতে পেরেছেন কীভাবে একদলের সমর্থকরা আরেক দলের সমর্থকদের পিটিয়ে রক্তাক্ত করে ফেলছেন৷

ব্রাজিলের সমাজবিজ্ঞানী মাওরিসি মুরাড টেলিভিশনে সেই দৃশ্য দেখেছেন৷ ফুটবলে সহিংসতা নিয়ে তাঁর বই-ও বের হয়েছে৷ এসব দেখেশুনে মুরাডের আশঙ্কা, বিশ্বকাপের সময় বিদেশি সমর্থকরাও এমন হামলার শিকার হতে পারেন৷ তিনি মনে করেন, ‘হুলিগান' তথা মাস্তানদের দমনে সরকার কঠোর মনোভাব দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় ব্রাজিলে বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটে৷

তবে বিদেশি ফ্যানদের এখনই বোধ হয় আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই৷ কেননা স্বয়ং ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসেফ বলেছেন, ফুটবল মাস্তানদের বিরুদ্ধে যথাসময় কঠোর অভিযান চালানো হবে৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন