1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

বেশি করে মাংস খান, সমস্যা নেই!

ব্যাপারটা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশের একদল বিজ্ঞানী৷ তাঁরা অনেক দূর এগিয়েছেনও৷ এখন দরকার বিভিন্ন সংস্থা থেকে অনুমোদন আর বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের জন্য একটি কোম্পানির সহযোগিতা৷

‘জুটিন'-খ্যাত বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহমদ খানের তত্ত্বাবধানে কয়েকজন তরুণ বিজ্ঞানী কাজ করছেন৷ তাঁদের একজন তসলিম উর রশিদ৷ তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত রসায়ন বিষয়ে পড়াশোনা করে এখন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন৷

ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন, তাঁরা চিংড়ির খোসা নিয়ে গবেষণা করছেন৷ এই খোসার প্রধান উপাদান কিটিংকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় কাইটোসেনে রূপান্তর করা হয়৷ এই কাইটোসেন বিভিন্ন কাজে লাগানো যেতে পারে৷ যেমন খাদ্যদ্রব্য সঞ্চয়, উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন, চর্বি জাতীয় খাবার শরীরে বসে যাওয়ার পরিমাণ কমানো ইত্যাদি৷

রশিদ বলেন, ‘‘কেউ যদি মাংস খাওয়ার আগে কাইটোসেন (ট্যাবলেট হিসেবে বা অন্য কোনোভাবে) গ্রহণ করে তাহলে তাঁর শরীরে যে পরিমাণ চর্বি জমার কথা ছিল সেটা কম হবে৷''

ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করে ইতিমধ্যে সফলতা পাওয়া গেছে৷

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ফুড অ্যান্ড সায়েন্স'এ কাইটোসেনকে ‘ফুড গ্রেড' হিসেবে অনুমোদন দেয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে৷ সেটা পেলে পরবর্তীতে পেটেন্টের জন্য আবেদন করা হবে বলে জানান রশিদ৷ এরপর কাজ হবে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অনুমোদন নেয়া৷ তাহলেই কাজ শেষ৷ মানে, তাহলেই কেবল এটা বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা সম্ভব হবে৷

ইতিমধ্যে তিনটি আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বলে জানান রশিদ৷

ইন্টারনেট লিংক