বেলজিয়ামে এক শরণার্থী শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু | বিশ্ব | DW | 18.05.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বেলজিয়াম

বেলজিয়ামে এক শরণার্থী শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু

বেলজিয়ামে দুঃখজনক মৃত্যু হয়েছে দুই বছর বয়সি এক শরণার্থী শিশুর৷ বেআইনি অভিবাসীদের বহন করা একটি ভ্যানকে ধাওয়া করেছিল পুলিশ৷ তারই এক পর্যায়ে কুর্দি কন্যাশিশুটি মারা যায়৷

গত কয়েক বছরে ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো বেলজিয়ামেও শরণার্থীর সংখ্যা  অনেক বেড়েছে৷ বৃহস্পতিবার সে দেশের মনস শহরের রাস্তায় একটি ভ্যানকে তাড়া করে পুলিশ৷ ভ্যানটি বেআইনি অভিবাসীদের নিয়ে যাচ্ছিলো৷ পুলিশের অভিযোগ, প্রায় ৭০ কিলোমিটার তাড়া করার পরও ভ্যানটি থামানো হয়নি৷ এক সময় বরং পুলিশকেই চাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয়৷ তখন বাধ্য হয়েই গুলি চালায় পুলিশ৷ তবে সরকার পক্ষের আইনজীবীর দাবি, শিশুটি পুলিশের গুলিতে মারা যায়নি৷

ভ্যানটি থামানোর পর ৩০ জন যাত্রীর মধ্যে দুই বছরের ওই শিশুকে মুমূর্ষু অবস্থায় পাওয়া যায়৷ সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়৷ কিন্তু হাসপাতালে যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়৷

মৃত্যুর সম্ভব্য কারণ

শরণার্থী কুর্দি শিশুটির মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে৷ বেলজিয়ামের সংবাদ সংস্থা বেলজা স্থানীয় তদন্তকারী ফ্রেডেরিক বারিসোকে উদ্ধৃত করে লিখেছে, পুলিশের গুলিতে মেয়েটির মৃত্যু হয়নি৷ পুলিশের ধারণা, ধাওয়া খেয়ে পালাতে গিয়ে চালক খুব বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোয় শিশুটির মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে৷ বিপজ্জনকভাবে ভ্যান চালানোর সময় শিশুটির মাথা গাড়ির কোনো শক্ত জায়গায় সজোরে ধাক্কা খেয়েছিল বলে আশঙ্কা তাদের৷ 

ব্রিটেনের যাওয়ার চেষ্টা?

বেলজার সংবাদ অনুযায়ী, ওই ভ্যানে চারটি শিশুসহ ৩০ জন শরণার্থী ছিল৷ সবাই ইরাক, আফগানিস্তান, ইরান ও কুয়েত থেকে আসা শরণার্থী৷ নিহত কুর্দি মেয়েটির পরিবারকে সম্প্রতি বেলজিয়াম থেকে জার্মানিতে পাঠানো হয়েছিল৷ বৃহস্পতিবার পরিবারটি বেলজিয়াম হয়ে ব্রিটেন যাওয়ার চেষ্টা করেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে৷     

পিএস/এসিবি    (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়