1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বেনগাজিতে নিহতের সংখ্যা ২০০: চিকিৎসক

লিবিয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে প্রাণহানির সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে৷ সেদেশের উত্তরের শহর বেনগাজির এক ডাক্তার জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে ২০০৷ সরকার বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল বেনগাজি৷

default

মুয়াম্মার আল-গাদ্দাফি (ফাইল ফটো)

সরকার বিরোধী বিক্ষোভ

মুয়াম্মার আল-গাদ্দাফির শাসনামলের অবসানে বেনগাজিতে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে৷ তবে, গত কয়েকদিনের সরকার বিরোধী আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন সেখানকার এক চিকিৎসক৷ বার্তা সংস্থা এপিকে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, গাদ্দাফির বাহিনী কমপক্ষে ২০০জন বিক্ষোভকারীকে হত্যা করেছে৷ হাসপাতালে ২০০ টি মরদেহ দেখেছেন বলেও দাবি ঐ চিকিৎসকের৷ এখানে বলে রাখা ভালো, লিবিয়ায় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের উপরে বেশ কড়াকড়ি রয়েছে৷ স্বাধীনভাবে কোন সংবাদমাধ্যমই মৃতের এই সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারেনি৷

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, লিবিয়ায় বুধবার থেকে শুরু হওয়া সরকার বিরোধী আন্দোলনে এখন পর্যন্ত ১০৪ জন নিহত হয়েছে৷ এদের মধ্যে ২০ জন গতকাল, শনিবার বেনগাজিতে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারায়৷ এছাড়া বিবিসি এক চিকিৎসকের বরাতে জানিয়েছে, হতাহতদের অধিকাংশের মাথায়, ঘাড়ে কিংবা বুকে গুলি লেগেছে৷

সংঘর্ষের সূত্রপাত যেভাবে

বেনগাজিতে আন্দোলনে নিহতদের শোকসভার আয়োজন করা হয় শনিবার৷ এসময় বিক্ষোভকারীরা একটি সরকারি অফিস-এলাকা অতিক্রমকালে নিরাপত্তা বাহিনী বিনা উস্কানিতে তাদের উপর গুলি ছোঁড়ে৷ একাধিক বার্তা সংস্থার খবর অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীদের হটাতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে সেনারা৷ এছাড়া, গাদ্দাফি পন্থীরাও বেনগাজিতে বিরোধীদের উপর হামলা চালায়৷

আন্দোলন চলছে

বেনগাজিতে নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া অবস্থান সত্ত্বেও আন্দোলন চলছে৷ এক প্রত্যক্ষদর্শী বিবিসিকে জানিয়েছে, এখন শুধুমাত্র সরকারি অফিস-এলাকাই সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে৷ তবে সেখানকার এক নিরাপত্তা কর্মকর্তার দাবি, শহরের আশি শতাংশই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দখলে রয়েছে৷ এছাড়া, আন্দোলন চলছে উত্তরের আল-বাইদা এবং ডারনা শহরেও৷ তবে, লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলীতে বড় কোন বিক্ষোভের খবর শোনা যায়নি৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: জান্নাতুল ফেরদৌস

নির্বাচিত প্রতিবেদন