1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

বুড়োদের রাজ্য মিয়ানমারের ‘মন’

মিয়ানমারের ১৪টি রাজ্যের মধ্যে একটির নাম ‘মন’৷ মন সম্প্রদায়ের লোকেরা সেখানে বাস করে বলেই রাজ্যটির এমন নাম৷ সেখানকার জনসংখ্যার বেশিরভাগই দাদা-নানা গোছের৷ আর তারা দেখভাল করেন নাতি-পুতিদের৷

An unidentified old Rohingya couple are mourning the death of their son. By taking an illegal ferry along with other men, the 24-year-old son in 2010 landed in Thailand. But before he could reach Malaysia, along with some hundreds of other men he was intercepted by Thai forces. Later his engineless boat was towed up to the middle of the sea by the Thai Navy and left to drift. Running out of food and water the 24-year-old man died in the sea, along with 350 other men. The illegal boat journey to Thailand is fraught with life-threatening risks. Copyright: DW/Shaikh Azizur Rahman 2011, Cox’s Bazar, Bangladesh

Bangladesch Rohingya Bootsflüchtlinge

তাহলে মাঝখানের ছেলে-মেয়েরা গেলো কোথায়? তারা আছে, কিন্তু মন রাজ্যে নয়, প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ডে৷ জীবিকার সন্ধানে তারা সেখানে গেছে৷ থাইল্যান্ডে বৈধভাবে থাকা মিয়ানমারের প্রায় ১৭ লক্ষ এবং নাম লিপিবদ্ধ নেই, এমন আরও প্রায় ১০ লক্ষ শ্রমিকের মধ্যে তারাও আছে৷

মিয়ানমারে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় ছিল সামরিক সরকার৷ সেসময় জাতিগত দাঙ্গা সহ নানা সমস্যায় জর্জরিত ছিল দেশটি৷ আন্তর্জাতিক বিশ্ব থেকে একরকম বিচ্ছিন্নই ছিল বলা যায়৷ তাই আর্থিক অবস্থাও ছিল বেশ করুণ৷

তাই মন তরুণেরা দলে দলে পাড়ি জমিয়েছে থাইল্যান্ডে৷ সেখান থেকে তারা দেশে বাবা-মাকে টাকা পাঠায়৷ আর বাবা-মার কাজ হচ্ছে ঐ টাকায় নিজেরা বাঁচা, আর নাতিপুতিদের দেখভাল করা৷

তবে মিয়ানমারে এখন পরিবর্তনের হাওয়া বইছে৷ ফলে বিদেশি কোম্পানিরা সেখানে বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছে৷ অর্থনীতির উন্নয়নে সরকারও পদক্ষেপ নিচ্ছে৷ এগুলো বাস্তবায়নে মিয়ানমারেরই এখন দক্ষ লোকবল প্রয়োজন৷

তাইতো গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি থাইল্যান্ডে গিয়ে মিয়ানমারের শ্রমিকদের বলে এসেছেন, অচিরেই তাদের দেশে ফিরতে হবে বলে তিনি আশা করছেন৷

এখন মিয়ানমার সরকার যদি আসলেই তাদের দেশের অবস্থা এমন করতে পারে যে, প্রবাসীরা দেশে ফিরে যেতে উৎসাহী হবে, তাহলে হয়ত ভবিষ্যতে আর মন রাজ্যকে ‘বুড়োদের রাজ্য' বলার প্রয়োজন পড়বে না৷

জেডএইচ / ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন