1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বীর বাঙালি পালন করছে বিজয় দিবস

১৬ই ডিসেম্বর৷ ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে৷ আর বাঙালির সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু হয় ২৫শে মার্চ মধ্য রাতে নিরীহ বাঙালির ওপর হায়েনাদের বর্বর আক্রমণের মধ্য দিয়ে৷

৩০ লাখ মানুষের রক্তে বিজয় অর্জন করেছে এদেশের মানুষ৷ মা-বোনের ইজ্জ্বত আর চরম আত্মত্যাগ এনে দিয়েছিল বাঙালির স্বাধীনতা৷ ঢাকার রেসকোর্স মযদানে '৭১-এর ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন৷ আর সেই রেসকোর্স ময়দানেই ১৬ই ডিসেম্বর বিকেলে পাকিস্তানের ৯৩ হাজার সেনা সদস্য আত্মসমর্পণ করে৷ আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের উপ-প্রধান সেনাপতি এয়ার ভাইস মার্শাল ( অব.) এ কে খন্দকার৷ তিনি জানান, প্রধান সেনাপতি কর্ণেল এম এ জি ওসমানী সিলেট চলে যাওয়ায় তাঁর সঙ্গে কোনভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছিলনা৷ তাই বাংলাদেশের মন্ত্রীপরিষদ তাঁকেই দায়িত্ব দেয়৷ তিনি আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হেলিকপ্টার যোগে ভারত থেকে ঢাকা এলে বিমানবন্দরে পরাজিত পাকিস্তান সেনা কর্মর্তারা অভ্যর্থনা জানান৷

এ কে খন্দকার জানান, রেসকোর্স ময়দান যা এখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত বিমানবন্দর থেকে সেখানে গাড়িতে যাওয়ার পথে তিনি রাস্তায় দেখেন লাখ মানুষের বিজয়োল্লাস৷

বিকেল ৪টা ৩১ মিনিটে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন পরাজিত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এ কে নিয়াজী৷ আর বিজয়ী মুক্তি ও মিত্র বাহিনীর পক্ষে জগজিৎ সিং অরোরা৷ এর পরপরই যৌথ বাহিনী নিয়াজীকে ঘিরে ফেলে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়৷ খুবই সংক্ষিপ্ত সময়ে এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান শেষ হয়৷ একে খন্দকার জানান, সেই দিন তাঁর অনুভূতি ছিল স্বাধীন দেশের মুক্ত বাতাসে নিশ্বাস নেয়ার৷

বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনা বীর শহীদদের স্মৃতিতে শ্রদ্ধর্ঘ্য অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া৷ এরপর স্মৃতিসৌধে নামে লাখো মানুষের ঢল৷ তাঁরা শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বীর শহীদদের৷

প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

সংশ্লিষ্ট বিষয়