1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিসিএসে ‘কোটা’ নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত

সরকারি চাকরিতে সব ধরনের কোটা বাতিলের দাবি নিয়ে বিতর্ক এখনও পর্যন্ত অব্যাহত বাংলাদেশে৷ গত বৃহস্পতিবার ঢাকার শাহবাগ মোড়ে পরীক্ষার্থীরা অবস্থানের সুযোগ না পেলেও ব্লগ, ফেসবুকে আলোচনা চলছে৷

জনপ্রিয় কমিউনিটি বাংলা ব্লগ সামহয়্যার ইন ব্লগে ফাহাদ রহমান খান কবির লিখেছেন, ‘‘আমার কাকা মুক্তিযোদ্ধা৷ বাবা ছোট ছিল তাই যুদ্ধ করে নাই কিন্তু কাকা করেছে৷ কাকা যুদ্ধ করেও সার্টিফিকেট নেয় নাই, জিগ্যেস করতাম কেন নেন নাই সে বলত যুদ্ধ করছি দেশের জন্য, সার্টিফিকেটের জন্য না৷''

বিসিএসে ‘কোটা' পদ্ধতির কারণে বিপত্তিতে পড়েছেন ফাহাদ রহমান খান কবির৷ ব্লগে প্রকাশিত নিবন্ধে বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তিনি৷ কবির লিখেছেন, ‘‘বিসিএস আমার সর্বশেষ স্বপ্ন৷ এ স্বপ্নের দরজায় সবচেয়ে বড় আঘাত গতকাল পেয়েছি৷ যোগ্যতা প্রমাণের যুদ্ধে কোটার কাছে হেরে গেছি৷''

একই ব্লগ সাইটে রানা সিরাজুলের লেখার শিরোনাম, ‘‘মেধাশূন্য বিসিএস অফিসার, আর মেধাবীরা হবে তাদেরই অফিসের কেরানি৷ কি অদ্ভুত!'' বিসিএসে কোট পদ্ধতির বিরোধীতা করে সিরাজুল লিখেছেন, ‘‘দেশের আইন-কানুন সকল নাগরিকের জন্য সমান, কিন্তু ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্তে রাঙানো এ দেশ কারো বাবা, মা, নানা, দাদার একক সম্পত্তি নয়৷ দেশটা সকলের৷''

ফেসবুকেও এই বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে৷ প্রখ্যাত ব্লগার মোহাম্মদ রাসেল পারভেজ এই বিষয়ে লিখেছেন, ‘‘কোটাভিত্তিক বাছাই এবং মনোনয়ন এক দিকে দুর্নীতির সম্ভবনা বাড়িয়ে দেয়, অন্যদিকে সকল যোগ্যতা পূরণ করা একজন পরিক্ষার্থীর সম্ভবনা ধ্বংস করে৷ আলোচনার টেবিলে সমঝোতার প্রস্তাব হিসেবে বিকল্প মধ্যপন্থী কোনো বক্তব্য উঠে আসা উচিত ছিল৷''

অপর ব্লগার সুশান্ত দাস গুপ্ত ফেসবুকে কোটা পদ্ধতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন৷ তিনি ইংরেজিতে লিখেছেন, ‘‘যে মুক্তিযোদ্ধার কোটা বাতিলের পক্ষে, সে আমাকে তার ফেসবুক ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে বাদ দিতে পারে৷''

উল্লেখ্য, ৩৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারির ফল বাতিলের দাবিতে একদল পরীক্ষার্থীর আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) ওই ফল পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷

সংকলন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়