1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিশ্ব পুঁজিবাজারে ভয়াবহ ধস

নজিরবিহীন ধস চলছে পুঁজিবাজারে৷ সোমবার থেকে চলছে দরপতন৷ গণমাধ্যম দিনটিকে ‘ব্ল্যাক মানডে' বা ‘কালো সোমবার' হিসেবে বর্ণনা করছে৷ চীনা অর্থনীতিতে মন্দা বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করায় সারা বিশ্বের পুঁজিবাজারেই ছড়িয়েছে আতঙ্ক৷

চীনের পুঁজিবাজারের অবস্থাই সবচেয়ে খারাপ৷ সাংহাই কম্পোজিট সূচক এক দিনেই সাড়ে ৮ শতাংশ কমেছে৷ গত ৮ বছরে এটি চীনের পুঁজিবাজারে এক দিনে সর্বোচ্চ দরপতন৷ জুন থেকে গত দু'মাসে চীনে সূচক ৩০ শতাংশ কমেছে৷

এশিয়ার অন্যান্য দেশের পুঁজিবাজারেও শুরু হয়েছে ব্যাপক দরপতন৷ হংকংয়ে ৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ, জাপানে ৪ দশমিক ৬১ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ায় ২ দশমিক ৪৭ শতাংশ সূচক নেমেছে৷

ইউরোপ আর যুক্তরাষ্ট্রেও পড়ছে চীনের পুঁজিবাজারের প্রভাব৷ সোমবার লন্ডনে সূচক ২ দশমিক ৬ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়৷ ফ্রান্সের প্যারিস ও জার্মানির ফ্রাংকফুর্ট শহরের বাজারেও সূচক প্রায় ৩ শতাংশ কমে যায়৷

দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে চীন সরকার সম্প্রতি পেনশন ফান্ডের অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়৷ তারপরও বিনিয়োগকারীরা উদ্বুদ্ধ হননি৷ এরপর রপ্তানি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক চীনের মুদ্রা ইউয়ানের বিনিময়মূল্য কমায়৷ সরককারের এসব উদ্যোগ পুঁজিবাজারকে স্বাভাবিক অবস্থায় না ফিরিয়ে উল্টো আরো অস্থির করেছে৷

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন৷ সে দেশের অর্থনীতির প্রভাব বিশ্বব্যাপী৷ সে দেশের পুঁজিবাজারের দুরবস্থাও তাই সারা বিশ্বে প্রভাব ফেলছে৷ বিশ্লেষকরা বলছেন, এ অবস্থা আরো কিছুদিন অন্তত চলবে৷

২৮ বছর আগেও একবার বিশ্ব পুঁজিবাজারে এমন বিপর্যয় দেখা দিয়েছিল৷ ১৯৮৭ সালের ১৯ অক্টোবরের ওই দিনটিও ছিল সোমবার৷ সে দিনের কথা মনে করে ২০১৫ সালের ২৪ আগস্ট, সোমবারকেও তাই ‘ব্ল্যাক মানডে', অর্থাৎ ‘কালো সোমবার' বলছে বিশ্ব গণমাধ্যম৷

এসিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন