1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

বিশ্বের ৮৪ কোটি ২০ লাখ মানুষ ক্ষুধাপীড়িত

বিশ্বে চরম ক্ষুধাপীড়িত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৪ কোটি ২০ লাখে৷ উন্নয়নশীল দেশে সংখ্যাটা উদ্বেগজনক আর আফ্রিকায় ক্ষুধার্ত মানুষের হার সবচেয়ে বেশি৷ তবে আগের বছরের চেয়ে সংখ্যাটা কমেছে৷

বিশ্বে যেমন অর্থনৈতিক মন্দা বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে খাদ্য দ্রব্যের দাম৷ এ কারণে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে ক্ষুধায় পীড়িত মানুষের সংখ্যা৷ মঙ্গলবার জাতিসংঘ প্রকাশিত রিপোর্টেও এই চিত্র উঠে এসেছে৷ বর্তমানে বিশ্বে চরম ক্ষুধাপীড়িত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৪ কোটি ২০ লাখে৷

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও-র রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১০ থেকে ২০১২ পর্যন্ত যেখানে সংখ্যাটা ছিল ৮৬ কোটি ৮০ লাখ৷ সে তুলনায় ২০১১ থেকে ২০১৩ সালের জরিপে ক্ষুধাপীড়িত মানুষের সংখ্যা কমেছে৷

এফএও-র এই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে যে, ৮৪ কোটি ২০ লাখের মধ্যে ৮২ কোটি ৬৬ লাখ মানুষের বাস অনুন্নত দেশগুলোতে৷

দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যাটা একেবারে চমকে দেয়ার মতো ২৯ কোটি ৫০ লাখ৷ আর সাহারা অধ্যুষিত আফ্রিকায় এই চিত্রটা আরো ভয়াবহ৷ সেখানে প্রতি চারজনের মধ্যে একজন চরম খাদ্যাভাবে রয়েছেন৷

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেসব উন্নয়নশীল দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ভালো, সেখানে ক্ষুধাপীড়িত মানুষের সংখ্যাটাও কম৷ যেসব দেশে কৃষিক্ষেত্রে উন্নতি হচ্ছে, সেখানে খাদ্যাভাবও কম৷

Nahrungsmittellieferung in den Senegal

আফ্রিকায় প্রতি চারজনের মধ্যে একজন চরম খাদ্যাভাবে রয়েছেন

রিপোর্টে পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ল্যাটিন অ্যামেরিকার কিছু এলাকার নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে, এসব জায়গায় তারা ক্ষুধার সাথে লড়তে সক্ষম হয়েছে, যার ফলে ক্ষুধাপীড়িত মানুষের সংখ্যাও সেখানে অনেক কমেছে৷ তবে পশ্চিম আফ্রিকায় কোনো উন্নতি হয়নি এবং আফ্রিকার উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে উন্নতির গতি খুবই ধীর৷

এ অবস্থায় জাতিসংঘের সহস্রাব্দের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে হলে বিশ্বের পুরো জনসংখ্যার অন্তত ১২ ভাগের নীচে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্যের হার৷ বর্তমানে এই হার ১৪.৩ ভাগ৷ এফএও-র মতে, ৬২টি দেশ এই লক্ষ্যপূরণে সক্ষম হয়েছে, আর ছয়টি দেশ ২০১৫ সালের মধ্যে ঐ লক্ষ্যপূরণে সক্ষম হবে৷

২০১৫ সালের মধ্যে ক্ষুধাপীড়িত মানুষের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার যে লক্ষ্য জাতিসংঘ নিয়েছে, তাতে তারা পৌঁছাতে আদৌ সক্ষম হবে কিনা – সেটাই এখন দেখার বিষয়৷

এপিবি/ডিজি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়