1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলির সম্পদ কমছে: জাতিসংঘ

চেষ্টা তদবির কিন্তু কম চলছে না, কিন্তু তারপরেও দারিদ্রের ভূত নামছে না দরিদ্র দেশগুলোর কাঁধ থেকে৷ জাতিসংঘের সদ্য প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে৷

default

দরিদ্র দেশগুলো আবারো চলে যাচ্ছে দারিদ্র্যের সীমাতেই

পৃথিবীর বেশিরভাগ দরিদ্র দেশ গত শতকে একটু ধনী হয়েছিল, মানে অর্থনৈতিকভাবে উন্নতি করেছিল, কিন্তু এই ধনী হওয়াটা বেশি দিন ধরে রাখা যাচ্ছে না৷ আবারো দেশগুলো চলে যাচ্ছে দারিদ্র্যের সীমাতেই, এমনটাই জানাচ্ছে জাতিসংঘের নয় সদস্যের একটি কমিটির প্রতিবেদন৷ এই কমিটিতে সদস্য যারা আছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান জেমস ওল্ফেনসন এবং মালির সাবেক প্রেসিডেন্ট আলফা উমার কোনারে৷

ঐ প্রতিবেদনে জানানো হচ্ছে, বিশ্বের গড় মাথাপিছু আয়ের সঙ্গে তুলনা করে ১৯৭১ সালে দেখা গেছে, দরিদ্রতম দেশগুলোতে মাথাপিছু আয় ছিল আঠারো শতাংশ৷ কিন্তু ২০০৮ সালে এসে দেখা গেলো সেই হিসাব কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ শতাংশে৷ একদিকে রয়েছে তথাকথিত এলডিসি বা স্বল্পোন্নত আটচল্লিশটি দেশ, যেগুলোর অধিকাংশের অবস্থান আফ্রিকায়৷ অন্যদিকে রয়েছে মধ্যম আয়ের দেশগুলো, যারা বিশ্বের গড় আয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এগিয়ে চলেছে৷ এই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মাথাপিছু আয়ের ফারাক ক্রমেই যেন বেড়ে যাচ্ছে৷

আগামী ৯ থেকে ১৩ই মে এ বিষয়ে ঐ বিশেষজ্ঞ প্যানেলের একটি সভার আগে প্রকাশিত সেই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দরিদ্রতম দেশগুলো নানা পণ্য থেকে বেশ অর্থ আয় করছে৷ কিন্তু এই অর্থ তাদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য খুব একটা ব্যয় করা হচ্ছে না৷ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২০ বছরে দরিদ্রতম দেশগুলোর অর্ধেকের অর্থনীতি হয়েছে নিম্নমুখী৷ এর কারণ হিসাবে মূলত শিক্ষার অভাব, স্বাস্থ্য খাতে অনুন্নয়ন, পুষ্টির অভাব,এবং প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল অবকাঠামো, তদুপরি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের জন্য অন্য দেশের উপর নির্ভরশীলতাকেই দায়ী করছেন তারা৷

তাদের ভাষ্য, এই অবস্থার পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন নিজ নিজ দেশের নিজস্ব পরিকল্পনা৷ সেই সঙ্গে দরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, পাচার হওয়া সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং দেশের নিজস্ব উৎপাদন ব্যবস্থাকে দ্বিগুণ করা৷ তারা জানিয়েছেন, উন্নত দেশ গুলো দরিদ্র দেশগুলোর জন্য সাহায্যে পরিমাণ দুই বছরের মধ্যে বাড়িয়েছে শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ আর ২০১৫ সাল নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়াবে ও শূন্য দশমিক ২ শতাংশ৷

প্রতিবেদন: সাগর সরওয়ার

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন