1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিশ্বের কাছে পথপ্রদর্শক হতে পারে জার্মানি : ম্যার্কেল

নির্ধারিত সময়ের প্রায় ১৩ বছর আগে সব পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্তের কারণে জার্মানি সারা বিশ্বের কাছে একটি সুন্দর উদাহরণ হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷

German Chancellor Angela Merkel speaks with the media as she arrives for a meeting of the European People's Party on the sidelines of an EU summit in Brussels, Thursday, March 24, 2011. European leaders hope to approve what they see as a comprehensive solution to the instability of the euro. But new uncertainly loomed as the Portuguese government is forced from power by opposition parties who think the proposed austerity package there went too far. (AP Photo/Yves Logghe)

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল

তবে ফ্রান্স জার্মানির এই সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা করলেও বলেছে তারা এটা অনুসরণ করবে না৷

চ্যান্সেলর ম্যার্কেল

ম্যার্কেল বলছেন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে জার্মানি সবার কাছে পথপ্রদর্শক হয়ে থাকতে পারে৷ কেননা পুরো বিশ্বকে আমরাই প্রথমবারের মতো দেখাবো, কী করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের পাশাপাশি এটা রপ্তানি করা যায়, এর উন্নয়ন করা যায়, এবং এই খাতে চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করা যায়৷

অন্যান্য দেশের প্রতিক্রিয়া

সারা বিশ্ব বিশেষ করে ইউরোপের অন্যান্য দেশ থেকে এখন পর্যন্ত যে প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে তাতে মনে হচ্ছে জার্মানির সিদ্ধান্ত এখনো তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি৷ যেমন ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হলো ফ্রান্স৷ দেশটিতে মোট ৫৮টি পরমাণু চুল্লি রয়েছে৷ যেখানে জার্মানিতে রয়েছে ১৭টি৷ ফ্রান্স বলছে পরমাণু বিদ্যুতের কারণে ইউরোপের যে কোনো দেশের তুলনায় সেখানে বিদ্যুতের দাম প্রায় ৪০ শতাংশ কম৷ এবং জার্মানরা বিদ্যুতের জন্য ফ্রেঞ্চদের চেয়ে প্রায় দ্বিগুন দাম বেশি দিয়ে থাকে৷ তাই আগামী কয়েক দশক অন্তত তাদেরকে পরমাণু বিদ্যুতের উপরই নির্ভর করতে হবে বলে জানিয়েছে ফ্রান্স৷ এদিকে পোল্যান্ড বলেছে, তারা ২০২০ সালে তাদের প্রথম পরমাণু চুল্লি স্থাপণের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা পুনর্বিবেচনা করবে৷

কীভাবে চাহিদা মেটাবে জার্মানি

বলা হচ্ছে, উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি ব্যবহার ও আধুনিক ভবন তৈরি করে বিদ্যুতের ব্যবহার শতকরা ১০ ভাগ কমানো যেতে পারে৷ সঙ্গে বায়ুচালিত জ্বালানির উৎপাদন বৃদ্ধি ও সেটা পরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে৷ এছাড়া প্রাকৃতিক গ্যাস ও কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রও গড়ে তোলা হবে৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: জান্নাতুল ফেরদৌস

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়