1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

বিশ্বব্যাপী অভিবাসী কর্মীদের সংখ্যা কমছে: ওইসিডি

গত পাঁচ বছর ধরে অভিবাসী কর্মীদের সংখ্যা কমছে৷ অর্থনৈতিক মন্দা, কাজ না পাওয়া, কম বেতন এবং কাজের স্বল্প মেয়াদি চুক্তি-ই এর মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে৷

default

বিদেশে কাজ করার আকর্ষণ কমে চলেছে

ইউরোপীয়র অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা ওইসিডি সোমবার ব্রাসেলসে জানিয়েছে, সারা বিশ্বে অভিবাসী কর্মীদের সংখ্যা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে৷ গত বছর বিশ্বে প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষ কাজের আশায় বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে৷ ২০০৮ সালের তুলনায় তা ছিল ৬ শতাংশ কম৷

সারা বিশ্বে যত মানুষ কাজের জন্য বিদেশে যায় তার ৪০ শতাংশই যায় ইউরোপে৷ ইউরোপের কোন্ দেশ কাজের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় ? পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে নরওয়ে, এরপর সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া এবং জার্মানি৷ চাকরির লোভে অনেকে আবার ছুটছে ব্রিটেন, স্পেন এবং পর্তুগালে৷ এই দেশগুলোতে কাজ পাওয়া যাবে, বেতনও ভাল হবে – এরকম এক ধারণা সর্বস্তরে প্রচলিত৷ সবচেয়ে বেশি অভিবাসী কর্মী আসে চীন, ভারত, পোল্যান্ড এবং মরক্কো থেকে৷

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট কমিশনার সেসিলিয়া মাল্মস্ট্রম আশংকা প্রকাশ করে বলেন, ‘‘অভিবাসী কর্মী আমাদের প্রয়োজন৷'' ব্রাসেলসে ওইসিডি-র প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর তিনি জানান,‘‘আমাদের জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে৷ অভিবাসী কর্মী ছাড়া আমরা দেশের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হবো না৷''

Philippinischer Krankenpfleger Elmer Jacinto in New York

বিদেশী কর্মী ছাড়া পশ্চিমা দেশগুলিতে স্বাস্থ্য পরিষেবা চালু রাখা কঠিন

যে সব ক্ষেত্রে কর্মীদের সংখ্যা ক্রমেই কমে আসছে তার মধ্যে স্বাস্থ্যরক্ষা এবং জন পরিষেবা উল্লেখযোগ্য৷ এ দুটি খাতে দ্রুত কর্মী প্রয়োজন৷ অনেক শহর রয়েছে যেখানে এসব খাতে কাজ করার জন্য লোক পাওয়া যাচ্ছে না৷ এই পদগুলো পূরণ করতে হলে অন্য দেশ থেকে অভিবাসী কর্মী আনা আবশ্যক বলে সেসিলিয়া মাল্মস্ট্রম উল্লেখ করেন৷

ওইসিডি-র বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আগামী দশ বছরে, কাজ করতে পারে বা কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে এমন মানুষের সংখ্যা বাড়বে মাত্র দুই শতাংশ৷ অথচ ২০০০ সাল থেকে ২০১০ সালের মধ্যে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৯ শতাংশ৷

এই সমস্যা সমাধানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের শ্রম দপ্তরের কমিশনার লাজলো আনডোর তরুণ প্রজন্মকে বেকারত্বের হাত থেকে রক্ষা করার ওপর জোর দেন৷ তিনি বলেন,‘‘অভিবাসী পরিবারের তরুণ প্রজন্মই আমাদের ভবিষ্যৎ৷ তারা পড়াশোনা করছে সেটাকেই আমাদের কাজে লাগাতে হবে, প্রয়োজন হলে আরো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে৷ কিন্তু কোন অবস্থাতেই তাদের দারিদ্র্যের মুখে ঠেলে দেওয়া যাবে না৷''

প্রতিবেদন: মারিনা জোয়ারদার
সম্পাদনা: আবদুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়