1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

বিশ্বকাপ ২০২২ আয়োজনে এখনও আশাবাদী অস্ট্রেলিয়া

ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনে বহুদিনের সাধ অস্ট্রেলিয়ার৷ ২০২২ সালের আসর নিজের দেশে পাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতার মাঠে নামে তারা৷ কিন্তু মাত্র এক ভোট পেয়ে প্রথম রাউন্ড থেকেই বাদ৷ অথচ এখনও আশা ছাড়েনি অস্ট্রেলিয়া৷

default

প্রতীকী ছবি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ১৪-৮ ভোটে হারিয়ে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ আসর আয়োজনকারী হিসেবে মনোনীত হয় কাতার৷ কিন্তু ফুটবলের আন্তর্জাতিক তদারকি সংস্থা ফিফা'র এই সিদ্ধান্তকে মানতে বেশ কষ্ট হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার৷ প্রতিযোগিতার দৌড়ে হেরে যাওয়া অন্যান্য দেশগুলো নাখোশ হয়েছিল তা বলাই বাহুল্য৷

যাহোক, ফিফার আশীর্বাদ নিয়ে ১১ বছর পরের সেই আসরের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতিতে নেমেছে কাতার৷ কিন্তু এর মধ্যেই শোনা যাচ্ছে মনোনয়ন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ৷ ফলে এই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে নতুন করে তদন্ত এবং মনোনয়ন প্রক্রিয়াও শুরু হতে পারে এমন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে৷ এমতাবস্থায় ২০২২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনে আবারও নিজেদের অভিলাষের কথা প্রকাশ করলেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রীড়ামন্ত্রী মার্ক অ্যারবিব৷

ঘুষ প্রদানের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ফিফার তদন্তকে ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ' বলে উল্লেখ করেন অ্যারবিব৷ এছাড়া তদন্তের পর নতুন করে মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু করলে ২০২২ সালের আসর আয়োজনের আশা করে অস্ট্রেলিয়া বলে মন্তব্য অ্যারবিবের৷ তিনি বলেন, ‘‘এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই যে, অস্ট্রেলিয়া এপর্যন্ত যতো বিশ্বকাপের আসর বসেছে সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সেরা আসর উপহার দেবে৷ আমাদের অবকাঠামো রয়েছে, ফুটবল প্রেমী জনগণ রয়েছে এবং প্রথমবারের মনোনয়নে অস্ট্রেলিয়া বাদ পড়ায় দেশবাসী হতাশ হয়েছে৷''

একইধরণের মন্তব্য অস্ট্রেলীয় ফুটবল সংস্থার প্রধান ফ্রাঙ্ক লোয়িরও৷ তিনি বলেন, ‘‘প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার কথা অস্ট্রেলিয়া এবং অ্যামেরিকার মধ্যে৷ অথচ হঠাৎ যেন কোথা থেকে উড়ে এসেছে কাতার৷ এটা কেউ ভাবতেই পারেনি৷ অথচ অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে৷ এটা ছিল একটা ভুল প্রক্রিয়া৷''

অবশ্য, ব্রিটেনের হাউস অফ কমন্স-এ উত্থাপিত ফিফার মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় ঘুষ লেনদেনের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে কাতার৷ এছাড়া এটা আদৌ প্রমাণিত হবে না বলেও মন্তব্য করেছে তারা৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

নির্বাচিত প্রতিবেদন