1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

বিশ্বকাপ ক্রিকেট

আমাদের দেশের অধিকাংশ সংবাদ মাধ্যমগুলো যখন যে সরকার থাকে নানাভাবে তার অনুকূলে সংবাদ পরিবেশন করে থাকে এবং মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তারা কে কি বলেছেন সেটাই উল্লেখ করেন,

default

তাই আমরা প্রকৃত সত্য জানার জন্য ডয়চে ভেলে বা বিবিসি-র মত সংবাদ মাধ্যমের উপর নির্ভর করি৷ সেজন্য মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তারা কে কি বলেছেন সেটার গুরুত্ব না দিয়ে আপনাদের নিজস্ব মতামত (সংবাদ দাতার মাধ্যমে সংগৃহীত) রেডিও-তে শুনতে চাই, প্রয়োজনে ওয়েব সাইটে লেখা চাই৷ মোঃ তারিকুল ইসলাম৷ tariq_brac@yahoo.com

 বেতার অনুষ্ঠান শোনা আমার এক অদম্য অথচ স্বপ্নিল শখ৷ সেই ছোট্ট বয়স থেকেই নিজের এই পরম প্রিয় শখটিকে লালন করে চলেছি৷ আর রেডিওর নব ঘুরাতে গিয়ে যে বেতার কেন্দ্রটির সন্ধান পেয়ে নিজেকে ধন্য ও গর্বিত ভাবতে পারছি, সে হচ্ছে ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগ৷ এই বাংলা অনুষ্ঠান রেডিও সম্পর্কে আমার ধারণাকে পাল্টে দিয়েছে৷ রেডিও নামক ছোট্ট এ যন্ত্রটি যে এতোটা উপকারী ও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, তা ডয়চে ভেলের সন্ধান না পেলে হয়তো অজানাই থেকে যেতো ৷ বাংলা অনুষ্ঠান আমাদের কেবল প্রিয় অনুষ্ঠানই নয় বরং আমাদের সুহৃদ, স্বজন, শিক্ষক আর পথ-প্রদর্শক৷ প্রতিদিন ডয়চে ভেলের বাংলা অনুষ্ঠানের সঙ্গ ছাড়া আমাদের কোন একটি পূর্ণাঙ্গ দিনও ভাবতে পারিনা৷ জার্মানিতে না যেয়ে সে দেশ সম্পর্কে যতোটা আমাদের জ্ঞানলাভ ও জানা-শোনা হয়েছে, তা কেবল ডয়চে ভেলে নামক অনুপম বন্ধুর কারণেই সম্ভবপর হয়ে উঠেছে৷ তাই ডয়চে ভেলের কাছে আমাদের অশেষ ঋণ৷ মহ: হাফিজুর রহমান , ইন্টারন্যাশনাল মিতালি লিসনার্স ক্লাব ,চুপী, পূর্বস্থলী, বর্ধমান, ভারত৷

আমার আন্তরিক প্রীতি আর শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন৷ আশা করি আপনারা ডয়েচে ভেলে বাংলা বিভাগের সবাই ভাল আছেন৷ গতকাল সকাল ৮টায় আপনাদের বাংলা অনুষ্ঠান শুনতে পেয়েছি এফএম ১০৫.৪ মেগাহার্তস-এ৷

এইদিন বিশ্বের বিখ্যাত সব জাদুঘর সম্বন্ধে বিস্তারিত শুনলাম৷ আর জানলাম এটি সম্ভব হচ্ছে গুগলের মাধ্যমে৷ ভাল লাগলো পরিবেশনাটি৷ ধন্যবাদ এজন্য ডয়েচে ভেলেকে৷

আজ এ পর্যন্তই, ভাল থাকবেন সবাই৷ আগামীতে আরো কথা হবে৷ শুভেচ্ছান্তে মোঃ সাইফুল ইসলাম, ইয়ূথ রেডিও ক্লাব, চাঁদনী বাজার, বগুড়া৷

আমি ডয়চে ভেলের বাংলা অনুষ্ঠানের নিয়মিত শ্রোতা৷ বর্তমানে বাংলা অনুষ্ঠানের প্রচার মিডিয়ামওয়েভে হওয়ায় অনুষ্ঠান শুনতে বেশ অসুবিধা হচ্ছে৷ আশা করি ব্যাপারটির দিকে নজর দেবেন৷ মতিউর রহমান, গকুন্ড, মুর্শিদাবাদ৷

আমি আগে নিয়মিত ডয়চে ভেলে থেকে পাঠানো টিউন ইন Tune in ম্যাগাজিন পেতাম, সেটা কি এখন বন্ধ করে দিয়েছেন ? মোল্লা আনোয়ারুল হক, mahaque786@gmail.com

উত্তর: বহু আগেই এই পত্রিকা বন্ধ হয়ে গেছে৷ তবে এখন রয়েছে নিউজ লেটার৷ আপনি কি এই পত্রিকার গ্রাহক হয়েছেন ? না হয়ে থাকলে আমাদের ওয়েবসাইটের নিউজ লেটার-এ ক্লিক করলেই বিস্তারিত জানতে পারবেন৷

ডয়চে ভেলে আমাদের ভুলে গেলেও আমরা কখনো ডয়চে ভেলেকে ভুলে থাকতে পারিনা৷ আপনাদের সব পরিবেশনাই ভালো লাগে৷ খোকন, চলপাথালালিয়া, বগুড়া৷

 দেখতে দেখতে বিশ্বকাপ একদম ঘাড়ের উপর এসে পড়ল প্রায়! এই তো আর কয়টা দিন মাত্র! কি? খুব খুশি লাগছে বুঝি? বেশি খুশি হওয়ার কিছু নাই৷ একটি দুঃসংবাদও জেনে রাখুন৷ বিশ্বকাপ যখন শুরু হবে তখন বোরো মৌসুমও শুরু হবে৷ আর ঠিক সেই সময় থেকে লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণাও শুরু হবে৷ গত বছর লোডশেডিং হয়েছিল ৩০ মিনিট পরপর সর্বোচ্চ ২ঘন্টা পর্যন্ত৷ গত একবছরে বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে এমন কোন উন্নতি হয়নি যে লোডশেডিং থেকে মুক্তি পাব৷ আর এবছর যদি খুব উন্নতি হয় তবু ধরে নিতে পারেন প্রতি ১ ঘন্টা পরপর লোডশেডিং হবে৷ একটি একদিনের ক্রিকেট ম্যাচ শেষ হতে সাধারণত প্রায় ৭ ঘন্টার মতো সময় লেগে থাকে৷ আর ক্রিকেটের মজা নষ্ট করে দেয়ার জন্য ৫ মিনিট লোডশেডিংই যথেষ্ট৷ মনে করুন ইন্ডিয়ার সাথে খেলার জন্য বাংলাদেশ দল মাঠে নেমেছে৷ তামিম এই মাত্র একটি চারের মার মারল৷ ঠিক সেই সময় বিদ্যুৎ চলে গেল৷ কি? কেমন লাগছে? বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের উন্মাদনা কোন পর্যায়ে পৌছেছে তা টিকেট বিক্রির সময় নিশ্চয় ভালো ভাবে অবগত হয়েছেন৷ এখন বলুন, যারা কোন ভাবে একটি টিকেট যোগাড় করতে পারেনি তারা ঠিক এই সময়ে কি করবে? এমন অবস্থা যদি চলতে থাকে তবে রাস্তার গাড়ি কি একটা আস্ত থাকবে? বিদ্যুৎ অফিসগুলো কি আস্ত থাকবে? বিদ্যুৎ তো আর সরকার রাতারাতি উৎপাদন করতে পারবে না, তাহলে উপায় কি? হ্যাঁ, উপায় নিশ্চয় একটি আছে৷ আর সেই উপায় প্রয়োগ করলে আমি মনে করি লোডশেডিং একেবারে বন্ধ না হোক, সহনীয় পর্যায়ে রাখা যাবে৷ আমি দিব্যচোখে দেখতে পাচ্ছি বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে সরকারের সামনে বিশাল একটি চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে৷ যদি এখনই এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না নেয় তাহলে সরকার সেই পরিস্থিতিকে কোন ভাবেই মোকাবেলা করতে পারবে না৷ যদিও আমাদের সরকার কোন সমস্যায় পড়ার আগে সমস্যা থেকে বাঁচার আগাম প্রস্তুতির কথা ভাবে না৷ যখন সমস্যা থেকে উত্তরণের উপায় খোঁজে ততক্ষণে ক্ষতি যা হওয়ার হয়ে যায়৷ বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে লোডশেডিং এর কারণে যদি জনরোষ ছড়িয়ে পড়ে তখন কিন্তু দেশ বিদেশে আমাদের মানইজ্জত বলে আর কিছু থাকবে না৷ আমার মনে হয় সরকার যদি আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করে তবে এই সমস্যার সমাধান খুবই সহজসাধ্য একটি ব্যাপার৷ আমি আগাম প্রস্তুতির একটি নমুনা দিলাম৷ বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখার উপায়৷ প্রথমে দেখে নেয়া যাক বাংলাদেশের খেলাগুলোর সময় সূচি৷ 19 Sat- India v Bangladesh 25 Fri- Bangladesh v Ireland 04 Fri- Bangladesh v West Indies 1 Fri- Bangladesh v England 14 Mon- Bangladesh v Netherlands 19 Sat- Bangladesh v South Africa একটি ব্যপার লক্ষ করুন৷ বাংলাদেশ খুবই সৌভাগ্যবান যে আমাদের গ্রুপ পর্যায়ের একটি বাদে সবগুলো খেলা পড়েছে সরকারি ছুটির দিনে৷ এর মধ্যে তিনটি খেলা আবার ডে নাইট৷ আর ঠিক এই জিনিসটাকে সরকার যদি বুদ্ধিমত্তার সাথে কাজে লাগাতে পারে তবে আমি মনে করি অন্তত বাংলাদেশের খেলাগুলো মানুষ নির্বিঘ্নে দেখতে পারবে৷ সেই সাথে সরকারও সম্ভাব্য জনরোষ থেকে রক্ষা পেতে পারে৷ আর এর জন্য সরকারকে যা করতে হবে যেদিন বাংলাদেশের খেলা থাকবে সেদিন সরকারিভাবে দেশে ছুটি ঘোষণা করা৷ গ্রুপ পর্যায়ের খেলায় এমনিতে একদিন বাদে প্রতিদিন সরকারি ছুটি থাকবে৷ এখানে সরকারকে যা করতে হবে তা হলো বাধ্যতামূলক ভাবে সকল বেসরকারি অফিসকেও ছুটির আওতায় আনতে হবে৷ সেই সাথে সকল মার্কেট ও কলকারখানা বন্ধ ঘোষণা করতে হবে৷ যেদিন ডে নাইট খেলা হবে সেদিন দুপুর ১২.৩০ মিঃ পর্যন্ত অফিস ও মার্কেট চলতে পারে৷ এতে করে যেমন কর্মজীবী মানুষগুলো খেলা দেখার সুযোগ পাবে সেই সাথে লোডশেডিং এর মাত্রাও সহনীয় পর্যায়ে থাকবে৷ এ ব্যাপারে সরকারের ঊর্ধতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি৷ আমার এই লেখাটি প্রথমে ব্লগে দিয়েছি৷

ব্লগ লিংক http://www.somewhereinblog.net/blog/shazal1976/29319242

সজল৷ shazal_t@yahoo.com