1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে ‘নো ফ্লাই জোন’ ঘোষণা

সন্ত্রাসী হামলা ঠেকাতে ফুটবল বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামগুলোতে নো ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে ব্রাজিলিয়ান এয়ারফোর্স৷ তবে এ জন্য কিছু আইন পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে৷

আইন অনুযায়ী, ব্রাজিলের সেনাবাহিনী কেবল সীমান্তের কাছে কোন সন্দেহভাজন বিমান দেখলে সেটাকে গুলি করে ভূপাতিত করতে পারে৷ তবে কোনো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সেটা করা যাবে না৷

এয়ারফোর্স ব্রিগেডিয়ার আন্তোনিও কার্লোস এজিতো জানান, ব্রাজিলের আকাশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই গুলি করা আইন পরিবর্তনের জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছে সেনাবাহিনী৷ ১২ই জুন থেকে ১৩ই জুলাই পর্যন্ত বিশ্বকাপে মোট ৬৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ব্রাজিলের ১২টি স্টেডিয়ামে৷ এজিতো বলেন, একইসময় স্টেডিয়ামের আশেপাশে অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট বন্দুক মোতায়েন থাকবে, তবে এগুলো নো-ফ্লাই জোনে চলাচলকারী কোন বিমানে গুলি করবে না৷

নিরাপত্তার খাতিরে স্টেডিয়ামের ৭.২ কিলোমিটারের মধ্যে যেসব বিমানবন্দর রয়েছে, সেখানে বাণিজ্যিক বিমান অবতরণ করতে পারবে না বলে জানিয়েছে দিয়েছে এয়ার ফোর্স অ্যান্ড সিভিলিয়ান এভিয়েশন রেগুলেটর এএনএসি৷

এই নিষেধাজ্ঞা ম্যাচ শুরুর এক ঘণ্টা আগে থেকে ম্যাচ শেষ হওয়া ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত বহাল থাকবে৷ তবে দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো এর আওতামুক্ত থাকবে৷ বেশিরভাগ নিষেধাজ্ঞা থাকবে রিও ডি জানেইরোর অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর সান্তোস ডুমন্টে৷ তবে এর ফলে বিপাকে পড়বেন ম্যাচের দর্শকরা, যারা এরই মধ্যে ঐ বিমানবন্দরে অবতরণকারী বিমানগুলোর ৩,০০০ আসন সংরক্ষণ করেছেন৷ ঐ বিমানগুলো বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছে এএনসি৷

বিশ্বকাপ চলাকালীন বিশ্বের অন্তত ৬ লাখ ফুটবল ভক্ত ব্রাজিলে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে৷ এছাড়া অন্তত ৩০ লাখ ব্রাজিলিয়ান এক শহর থেকে অন্য শহরে ম্যাচ দেখতে যাবেন৷

এদিকে, ব্রাজিলে এরই মধ্যে প্রচুর পর্যটক যেতে শুরু করেছে৷ ফলে বেড়েছে বিমানের সংখ্যা৷ ভিড় বেড়েছে বিমানবন্দরে৷ ল্যাটিন অ্যামেরিকার সর্ববৃহৎ এয়ারলাইন্সগুলি হুশিয়ার করে দিয়েছে, এর ভিড়ের কারণে কিছু দর্শক ম্যাচ দেখা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন৷

লাটাম এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী এনরিক সুয়েতো বলেছেন, ‘‘আমি জানি না বিশ্বকাপে কে জিতবে, তবে এটা বলতে পারি বিশ্বকাপে হারবে আমাদের এয়ারলাইন্স৷'' বিমানবন্দরে অতিরিক্ত বিমানের কারণে অনেক বিমানকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে অবতরণের জন্য৷ কোনো কোনো বিমান ৩০০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে অন্য শহরে অবতরণ করতে বাধ্য হচ্ছে৷

এপিবি/এসবি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়