1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

বিশ্বকাপে ইউরোপ কতটা সফল হবে?

অ্যামেরিকা মহাদেশে বিশ্বকাপ ফুটবলের আসরে কখনও শিরোপা জেতেনি ইউরোপের কোনো দেশ৷ বর্তমান সাফল্যের জোয়ারে তারা কি ব্রাজিলে প্রথমবার বিশ্বকাপ জয় করতে পারবে? এ প্রশ্ন কিন্তু আজকাল উঁকি দিচ্ছে অনেকের মনেই৷

ফুটবল এমন একটা খেলা, যাতে আগেভাগে হারজিত সম্পর্কে কিছুই বলা যায় না৷ তাই রোমাঞ্চ আর উত্তেজনার শেষ নেই৷ তবে পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে পূর্বাভাষের একটা রীতি চালু রয়েছে৷ যেমন ব্রাজিলে আসন্ন বিশ্বকাপের আগে শুরু হয়ে গেছে হিসাব-নিকাশ৷ তাতে দেখা যাচ্ছে ইউরোপের কোনো দেশ অ্যামেরিকা মহাদেশে কখনো কোনো বিশ্বকাপ জয় করেনি৷ এখনো পর্যন্ত মোট সাতবার বিশ্বকাপের আসর বসেছে উত্তর ও দক্ষিণ অ্যামেরিকায়৷ এবার ব্রাজিলে কি সেই প্রবণতায় ছেদ পড়বে?

ফুটবল জগতে এই মুহূর্তে ইউরোপের রমরমা৷ ২০১০ সালের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে চারটি দেশের মধ্যে তিনটিই ছিল ইউরোপের৷ ক্লাব পর্যায়ে এই সাফল্যের মাত্রা আরও বেশি৷ ক্লাব পর্যায়ের বিশ্ব প্রতিযোগিতায় যে সাতটি টিমের জয় হয়েছিল, তাদের মধ্যে ছয়টি ছিল ইউরোপের৷

আরও একটি পরিবর্তন লক্ষ্য করার মতো৷ লিওনেল মেসির মতো দক্ষিণ অ্যামেরিকার অনেক তারকা খেলোয়াড় বছরের বেশিরভাগ সময় জুড়ে ইউরোপে ক্লাব পর্যায়ে খেলতে ব্যস্ত থাকেন৷ ফলে ব্রাজিলে বিশ্বকাপের মাঠে তাঁরা যে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন, তা ধরে নেওয়া কঠিন৷ এমনকি খোদ ব্রাজিলের জাতীয় দলের মধ্যেও খুব কম খেলোয়াড় থাকবেন, যাঁরা শুধু ব্রাজিলেই খেলে আসছেন৷

একটা সময় ছিল, যখন নিজের দেশে খেলার কিছু বাড়তি সুবিধা ছিল৷ সবার উপরে ছিল দর্শকদের সমর্থন৷ আজকাল ফুটবল অনেক বেশি প্রযুক্তি-নির্ভর হয়ে পড়া সত্ত্বেও অন্য মহাদেশে গিয়ে খেলা এখনো পুরোপুরি সহজ নয়৷ অতীতে পরিবহন ছিল বড় এক সমস্যা৷ ১৯৩০ সালে উরুগুয়ে, ১৯৫০ সালে ব্রাজিল ও ১৯৬২ সালে চিলিতে বিশ্বকাপের সময় কিছু টিম জাহাজে করে খেলতে এসেছিল৷ আজ আর সেই সমস্যা নেই৷ বিলাসবহুল জেটে করে জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন৷ স্থানীয় আবহাওয়া ও পরিবেশের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে তাঁদের বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে৷

এসবি/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন