1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবির মুখোমুখি হতে পারে টেপকো

ফুকুশিমা পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারদিকের ২০ কিলোমিটার এলাকা খালি করার পরিকল্পনা সরকারের আপাতত নেই৷ এদিকে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালক কোম্পানি কমপক্ষে ১৩০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবির মুখোমুখি হতে পারে বলে জানা গেছে৷

Tokyo, Electric, Power, TEPCO, electric, power, Fukushima, Daiichi, nuclear, power, plant, Japan, বিশাল, অঙ্কের, ক্ষতিপূরণ, দাবির, মুখোমুখি, টেপকো

টেপকো’র কর্মীরা সুরক্ষিত দেহে ফুকুশিমা পারমাণবিক কেন্দ্রকে শান্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন

বিস্ফোরিত ফুকুশিমা পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারদিকের ২০ কিলোমিটার এলাকা খালি করার পরিকল্পনা জাপান সরকারের আপাতত নেই৷ এদিকে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালক কোম্পানি কমপক্ষে ১৩০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবির মুখোমুখি হতে পারে বলে জানা গেছে৷

জাপান সরকারের মুখ্যসচিব ইয়োকিও ইডানো সাংবাদিকদের আজ জানিয়েছেন, ফুকুশিমা পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বিস্ফোরিত এই কেন্দ্রের আশেপাশের ২০ কিলোমিটার এলাকার মানুষজনকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া এবং ঐ স্থান খালি করতে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার বা আইএইএ'র কাছ থেকে উপদেশ আসলেও, আপাতত এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত সরকারের নেই৷

বিস্ফোরিত ঐ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরের ইতাতে নামক একটি গ্রামে ক্ষতিকারক মাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার অস্তিত্ব পাবার পর এই কথা জানিয়েছে আণবিক শক্তি সংস্থা৷ অবশ্য ফুকুশিমার কেন্দ্রের প্রচণ্ড ক্ষতিকারক প্রভাবযুক্ত চারপাশের ৩০ কিলোমিটার এলাকার মানুষকে ঘরেই অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছে সরকার৷

এদিকে, সুনামির আঘাতে বিস্ফোরিত ঐ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে টোকিও ইলেক্টিক পাওয়ার কোম্পানি বা টেপকো অন্তত ১৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবির মুখোমুখি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷ মূলত তেজস্ক্রিয়তায় ক্ষতিগ্রস্তরা এই দাবি তুলতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে৷ অবশ্য এই অর্থ দেবার মতো কোন অবস্থা নেই এই কোম্পানিটির৷ কারণ, ফুকুশিমার উদ্ধার কার্যক্রমের জন্য এখন বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হচ্ছে তাদের৷ আর ক্ষতিপূরণ দাবির সম্ভাব্য এই অঙ্কটি ঐ কোম্পানির মূলধনের চারগুণেরও বেশি৷

প্রতিবেদন: সাগর সরওয়ার

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই