1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিরোধীদের শেষ করতেই এই বিচার: বিএনপি

অবশেষে নিরবতা ভেঙেছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি৷ এর আগে ট্রাইব্যুনাল ছয়জন জামায়াত নেতাকে দণ্ড দিলেও তখন কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি বিএনপি৷ তবে এবার দলের নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ব্যাপারে নিরব থাকলো না তারা৷

মঙ্গলবার রায় ঘোষণার দিনও বিএনপি কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি৷ তবে রায়কে প্রত্যাখ্যান করে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের নেতা মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘‘এই বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরও বিচার হবে৷''

এরপর বুধবার সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভাপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই রায়ে তারা বিস্মিত হয়েছেন৷ বিচারের নামে সরকার প্রতিপক্ষকে নির্মূল করার ষড়যন্ত্র করছে৷ তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই বিচারের স্বচ্ছতা এবং গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে৷ তাঁর কথায়, ‘‘সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সুবিচার পাননি৷ তার প্রতি ন্যায়বিচার করা হয়নি৷ তার পক্ষে একজন বিচারকসহ দু'জনকে সাক্ষী দিতে দেয়া হয়নি৷ বরং তার রায় আইন মন্ত্রণালয়ে তৈরি হয়েছে, যা আগেই ফাঁস হয়ে যায়৷'' তিনি দাবি করেন, এর আগে ‘স্কাইপ' কথোপকথন ফাঁস হয়েছে, যা আগেই বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে৷ আর এবার রায় ফাঁস হওয়ায় দেখা দিয়েছে নতুন প্রশ্ন৷

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেননি৷ বিএনপি রায়ের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছে৷ ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ হবে মহানগর বিএনপির উদ্যোগে৷ আর বুধবার চট্টগ্রামে হরতাল পালন করেছে স্থানীয় বিএনপি৷ উল্লেখ্য, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সাংসদ৷

Bangladesch Salauddin Quader Chowdhury Urteil 01.10.2013 Dhaka

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির আদেশ হওয়ায় বিএনপি বিম্মিত

এদিকে এর প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহাবুবুল আলম হানিফ ডয়চে ভেলেকে জানান, এই রায়ের মধ্য দিয়ে আবারো প্রমাণ হয়েছে যে, বিএনপি একটি যুদ্ধাপরাধীদের দল৷ তাই তারা শুরু থেকেই যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে নানা ধরণের তত্‍পরতা চালাচ্ছে৷ এখন তারা রায় ফাঁসের কথা বলছে৷ তবে যা হয়েছে তার সঙ্গে কারা জড়িত তা শিগগিরই প্রকাশ পাবে৷ তিনি বলেন, কোনো অপতত্‍পরতাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার থামাতে পারবে না৷

এদিকে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সমন্বয়কারী আব্দুল হান্নান খান ডয়চে ভেলেকে বলেন, এই বিচারের তদন্ত থেকে শুরু করে সব কিছু স্বচ্ছতার সঙ্গে হয়েছে৷ যারা বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে চায় তারা অস্বচ্ছতা এবং আন্তর্জাতিক মানের কথা বললেও, কখনো তার ব্যখ্যা দেয়নি৷ তাই তিনি দাবি করেন, সাকা চৌধুরীর পক্ষে কোনো সাক্ষীকে সাক্ষ্য দিতে বাধা দেয়া হয়নি৷ আর যে বিচারকের কথা বলা হচ্ছে, তিনি কখনোই ট্রাইব্যুনালে সাকার পক্ষে সাক্ষী দেয়ার আবেদন করেননি৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়