বিরোধীদের জাতীয় পরিষদ গঠন, জাউইয়া শহরে যুদ্ধ | বিশ্ব | DW | 05.03.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিরোধীদের জাতীয় পরিষদ গঠন, জাউইয়া শহরে যুদ্ধ

লিবিয়ার পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে৷ এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বিক্ষোভ করে গাদ্দাফি বিরোধীরা কিছু শহরের দখল নিলেও এখন সেসব শহর নিজেদের দখলে রাখতে যুদ্ধে নামতে হয়েছে৷ বেশ কিছু শহরের উপর আঘাত হানছে সরকারি বাহিনী৷

Bengasi, Libyens, Gaddafi, Chaos, গাদ্দাফি, বিরোধী, একাংশ, জাতীয়, পরিষদ, গঠন, জাউইয়া, শহর, যুদ্ধ, লিবিয়া, মুয়াম্মার, Libya, Tripoli, War, Fight, Tank, Gaddafi,

গাদ্দাফি বিরোধীদের একাংশ

বিরোধী দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় পরিষদ গঠন

দেশটির পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে নিজেদের দখল রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে লিবীয় নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির অনুগত এবং বিরোধী পক্ষ উভয়ই৷ তবে পূর্বাঞ্চলের শহর বেনগাজিকে ঘিরেই নিজেদের কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বিদ্রোহীরা৷ অনেকটা যেন বিদ্রোহীদের রাজধানীতে পরিণত হয়েছে বেনগাজি৷ শনিবার সেখানে বিরোধী শিবিরের দলগুলো একটি জাতীয় পরিষদ তৈরি করেছে৷ আল-আরাবিয়ার খবরে বলা হয়, আজ এক গোপন বৈঠক করবে এই পরিষদ৷ মূলত সবগুলো শহরে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং বজায় রাখা এবং একইসাথে গাদ্দাফির অনুগত বাহিনীর আকাশ থেকে হামলা বন্ধে করণীয় নিয়ে আলোচনা হবে এই বৈঠকে৷ গাদ্দাফির বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দাঁড় করানো হচ্ছে এই জাতীয় পরিষদকে৷ এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক বিচারমন্ত্রী মুস্তাফা আব্দেল জলিল৷ এছাড়া বিদ্রোহীদের দখলে থাকা শহরগুলো থেকে ৩১ জন প্রতিনিধি এই পরিষদে রয়েছেন৷

জাউইয়া শহরে যুদ্ধ, অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন

এদিকে, আজ গাদ্দাফির অনুগত বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য পশ্চিমাঞ্চলের শহর জাউইয়া৷ শহরটিকে বিদ্রোহীদের হাত থেকে উদ্ধারে শনিবার ভোরে ভারি সাঁজোয়া যান নিয়ে অভিযান চালায় সৈন্যরা৷ কিন্তু বিদ্রোহী মুখপাত্র ইয়ুসেফ শাগানের ভাষ্য মতে, প্রায় দেড় ঘণ্টার যুদ্ধের পর পিছু হটতে বাধ্য হয় সরকারি বাহিনী৷

Flash-Galerie Rebellen in Libyen

সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সতর্ক অবস্থান

এসময় সরকারি বাহিনীর তিনটি এপিসি, দু'টি ট্যাঙ্ক এবং একটি পিক-আপ ছিনিয়ে নিয়েছে বলে দাবি বিদ্রোহীদের৷ ফলে শহরটিতে বিদ্রোহীদের দখল বজায় রয়েছে৷ তবে জাউইয়ার কেন্দ্রস্থলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় সেখানে আরো বেশি সৈন্য পাঠিয়েছে সরকার৷ আজ দুপুরে সরকারি বাহিনী শহরের চারিদিকে চেকপোস্ট বসিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে খবর দিচ্ছে রয়টার্স৷ এছাড়া তেল সমৃদ্ধ বন্দর নগরী রাস লানুফও বিদ্রোহীদের দখলে বলে দাবি করেন শাগান৷

আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগপূর্ণ চাপ

দেশটির এমন যুদ্ধ পরিস্থিতিতে গাদ্দাফির উপর আন্তর্জাতিক চাপ বেড়ে চলেছে৷ ক্ষমতা থেকে সরে গিয়ে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি লিবিয়ার উপর শক্তি প্রয়োগের কথাও ভাবছে বিশ্ব সম্প্রদায়৷ ইতিমধ্যে দু'টি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ভূমধ্যসাগরের দ্বীপ ক্রিটে পৌঁছেছে৷ কিয়ার্সেজ এবং ইউএসএস পন্স নামের এই যুদ্ধজাহাজ দু'টিতে এক হাজার দু'শ নৌসেনাসহ প্রায় চার হাজার মার্কিন কর্মকর্তা রয়েছেন৷ এছাড়া লিবিয়ায় মানবিক ও উদ্ধার কাজে সহায়তার জন্য ২০০ সৈন্যের ব্যাটালিয়ন প্রস্তুত রেখেছে যুক্তরাজ্য৷ ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন