1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিমানে যাত্রীদের দিকে নজর রাখে মার্কিন ও ব্রিটিশ গোয়েন্দারা

যেসব বিমান যাত্রী বিমানে তাঁদের মোবাইল ব্যবহার করেন, তাঁদের উপর নজর রেখেছে মার্কিন এবং ব্রিটিশ গোয়েন্দারা৷ মার্কিন ‘হুইসেলব্লোয়ার' এডওয়ার্ড স্নোডেনের বরাতে এক রিপোর্ট থেকে জানা গেছে এই তথ্য৷

যেসব বিমান যাত্রী বিমানে বসে মোবাইল ব্যবহার করেন, তাদেরমোবাইলে গোয়েন্দাগিরির চেষ্টা​​​​​​ করে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা এনএসএ এবং ব্রিটেনের জিসিএইচকিউ৷ এয়ারফ্রান্সের মতো বাণিজ্যিক বিমান সংস্থাগুলোর যাত্রীরা কার্যত ২০০৫ সাল থেকে এমন নজরদারির মধ্যে রয়েছেন বলে জানিয়েছে ফ্রান্সের ল্যঁ ম্যঁদে পত্রিকা৷

এয়ারফ্রান্স হচ্ছে প্রথম দিককার বিমান সংস্থা, যাদের যাত্রীদের উপর নজরদারি প্রতিষ্ঠা করে গোয়েন্দা সংস্থা দুটি৷ ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো যাত্রীদের আকাশে বসেই মোবাইল ব্যবহারের সুযোগ করে দেয় এয়ারফ্রান্স৷ তখন বিষয়টি এখনকার মতো সহজ ব্যাপার ছিল না, বর্তমানে ১০০-র মতো কোম্পানি এই সেবা দিয়ে থাকে৷ ফরাসি বিমান সংস্থাটিকে সন্ত্রাসীদের বড় টার্গেট হিসেবে বিবেচনা করেছিল মার্কিন এবং ব্রিটিশ গোয়েন্দারা৷

স্নোডেন

স্নোডেন কারো কাছে হিরো আবার কারো কাছে বা দেশদ্রোহী

ল্যঁ ম্যঁদে লিখেছে, ‘‘আকাশে ইন্টারনেট সংযোগসহ মোবাইল ব্যবহার গোয়েন্দা সংস্থা দু'টিকে বিশেষ প্রোগ্রাম তৈরিতে উৎসাহ জুগিয়েছে৷'' পত্রিকাটি অপর নিউজ ওয়েবসাইট ‘দ্য ইন্টারসেপ্টে'-এর সঙ্গে যৌথভাবে এনএসএ-র সাবেক কন্ট্রাক্টর স্নোডেনের ফাঁস করা তথ্যের আর্কাইভ গবেষণা করেছে৷ মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারির পরিধি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তিনি প্রকাশ করেন ২০১৩ সালে৷ বিষয়টি তখন গোটা বিশ্বে সাড়া জাগায়৷

মার্কিন এবং ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা দু'টির গোয়েন্দা প্রকল্পের কোড নেম হচ্ছে ‘থিভিং মেগপাই' এবং ‘হোমিং পিজন৷' এগুলো ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ হাজার ফুট উপরে থাকা বিমানের যাত্রীদের মোবাইল ব্যবহারের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম৷ মোবাইলের সিগনাল মাটিতে থাকা গোপন ইন্টারসেপশন স্টেশনগুলো সংগ্রহ করতো, কেননা সেগুলো স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পরিবহন হতো৷

লে মন্ডে লিখেছে, ‘‘একটি মোবাইল চালু করলেই সেটির অবস্থান সম্পর্কে জানা সম্ভব৷ এরপর বিমানের যাত্রীদের তালিকা, বিমান নম্বর এবং এয়ারলাইন কোড মিলিয়ে যাত্রীর নাম বের করা সম্ভব৷''

প্রসঙ্গত, স্বাভাবিকভাবে উড়ন্ত বিমানে বসে মোবাইলে ফোন করা সম্ভব না হলেও কিছু বিমানসংস্থা কেবিন ওয়াইফাই সিস্টেমের মাধ্যমে যাত্রীদের মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে৷ সেই সংযোগ যোগাযোগের বিভিন্ন কাজে লাগানো সম্ভব৷ স্নোডেন বর্তমানে রাজনৈতিক আশ্রয়ে মস্কোতে বসবাস করছেন৷ কখনো যুক্তরাষ্ট্রে ফিরলে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ত্রিশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে তাঁর৷

এআই/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন