1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিপ্লবের মধ্যেই বিয়ে, চলছে সরকার-বিরোধী সংলাপ

নানা বাস্তব কারণে মিশরের গণবিক্ষোভ ক্রমশঃ স্তিমিত হয়ে যাবে – অনেক মহলে এমনটা ধরে নেওয়া হলেও সোমবারও বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবিতে অটল রয়েছেন৷ কায়রোর তাহরির স্ক্যোয়ারে রাত কাটিয়েছেন অসংখ্য মানুষ৷

President, Husni, Mubarak, সমাধান, শীর্ষ নেতা, Egypt, Crisis, Revolution, Protest, Rally, Tank, বিক্ষোভ, মুবারক, প্রেসিডেন্ট, সংসদ, স্পিকার

সমাধানের খোঁজে দেশের শীর্ষ নেতাদের সাথে বৈঠক করলেন মুবারক (ফাইল ছবি)

স্বতঃস্ফূর্ত বিক্ষোভ

মিশরের রাজপথে বিক্ষোভ শুরু থেকেই ছিল স্বতঃস্ফূর্ত – রাজনৈতিক দলগুলি সেখানে গৌণ ভূমিকা পালন করেছে৷ কিন্তু বর্তমান অচলাবস্থা কাটাতে কোনো না কোনো পর্যায়ে সংলাপের প্রয়োজন রয়েছে৷ বিক্ষোভকারীদের অনেকেই ভাইস প্রেসিডেন্ট ওমর সুলেইমান ও বিরোধী দলগুলির মধ্যে আলোচনার বিরোধিতা করছে৷ তাদের দাবি, সবার আগে অবিলম্বে প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারককে পদত্যাগ করতে হবে৷ তাছাড়া মুবারকের ঘনিষ্ঠ হিসেবে সুলেইমানকেও তারা বিশ্বাস করতে প্রস্তুত নয়৷ দীর্ঘ ২ সপ্তাহ ধরে একসঙ্গে বিক্ষোভ দেখিয়ে মানুষের মধ্যে সংহতির এক সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে৷ এমনকি এক তরুণ দম্পতি তাহরির স্ক্যোয়ারেই বিয়ে করেছেন৷ বিক্ষোভ সত্ত্বেও সোমবার কায়রোর জীবনযাত্রা অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে৷

সরকার ও বিরোধীদের সংলাপ

স্বৈরচারী ব্যবস্থা থেকে দেশকে দ্রুত গণতান্ত্রিক কাঠামোর পথে নিয়ে যেতে আপাতত মুবারককে ক্ষমতায় রাখা প্রয়োজন – এমনটাই দাবি করছে বর্তমান প্রশাসন৷ কারণ সেদেশের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী এই কাজ একমাত্র প্রেসিডেন্টই করতে পারেন৷ অন্যদিকে বিরোধীদের দাবি, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই সংবিধানে বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে হবে৷

Flash-Galerie Ägypten Kairo Demonstration Regisseur

সমঝোতা আলোচনা চললেও এখনও রাজপথ ছাড়ছে না বিক্ষোভকারীরা

প্রথমত, যে কোনো প্রার্থী যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে, তার ব্যবস্থা করতে হবে৷ দ্বিতীয়ত প্রেসিডেন্টের কার্যকাল সীমিত করে দিতে হবে, যাতে তিনি দুই বারের বেশি ক্ষমতায় না আসতে পারেন৷ তৃতীয়ত নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে বিচার বিভাগের ক্ষমতা বাড়াতে হবে, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রার্থীদের অযোগ্য ঘোষণা করার নিয়ম বদলাতে হবে৷ এছাড়া কিছু মৌলিক পরিবর্তনেও দাবি জানাচ্ছে বিরোধীরা, যেমন রাজনৈতিক দল গঠনের উপর বাধানিষেধ শিথিল করা৷

মুবারকের বিদায়ের চিত্রনাট্য

মান-সম্মান বাঁচিয়ে প্রস্থানের সুযোগ করে দিতে মুবারককে স্বাস্থ্যগত কারণে জার্মানি পাঠানোর কথা চলছে৷ এর আগে তিনি বেশ কয়েকবার চিকিৎসার জন্য জার্মানি গিয়েছিলেন৷ ফলে নতুন চেক-আপ'এর জন্য আবার সেখানে যেতেই পারেন৷ কিন্তু আজ জার্মান সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সরকারি বা ব্যক্তিগত পর্যায়ে এই মর্মে কোনো অনুরোধ আসে নি৷

প্রতিবেদন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল ফারূক

নির্বাচিত প্রতিবেদন