1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিদ্রোহীদের ব্যাপারে আরও কঠোর হচ্ছে আওয়ামী লীগ

উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে ভালো করে বিএনপি অনেকটা ফুরফুরে মেজাজে আছে৷ অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ কিছুটা হোঁচট খাওয়ায় পরবর্তী ধাপগুলোতে ভালো করতে প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেছে৷

৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জনের পর বিএনপির নেতা-কর্মীরা বেশ হতাশ হয়ে পড়েছিলেন৷ নির্বাচন বর্জন করায় তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও কথা বলেন৷ তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিএনপি আন্দোলন স্থগিত করে উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়৷ ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম পর্বের ৯৭টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের ফলাফলে বিএনপি এগিয়ে আছে৷ দলটি ৪৩টি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছে৷ আর আওয়ামী লীগ জেতে ৩৪ উপজেলায়৷ বিএনপি এবং জামায়াত মিলে জয় পায় ৫৬ উপজেলায় – যা শুধু বিএনপি নয়, জামায়াতকেও আত্মবিশ্বাসী করেছে৷ মোট ৪৮৭টি উপজেলার নির্বাচন শেষ হবে ছয় ধাপে৷ এরই মধ্যে পঞ্চম ধাপের তফশিল ঘোষণা করা হয়েছে৷ দ্বিতীয় ধাপে ১১৭টি উপজেলার নির্বাচন হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি৷

Bangladesch Dhaka Wahlkommission Gebäude

‘‘প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতিত্ব করলে সারাদেশে আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়া হবে''

বিএনপি-জামায়াত চাইছে তাদের জয়ের ধারা ধরে রেখে প্রমাণ করতে, যে তারাই জনপ্রিয় দল৷ বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক রহুল কবির রিজভী বলেন, ‘‘সাজানো প্রশাসন ও সরকারের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের লেজুড়বৃত্তির পরও সরকার উপজেলা নির্বাচনে জনগণের বিজয় ঠেকাতে পারেনি৷ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি সমর্থিতরা ৯৫ ভাগ উপজেলায় নির্বাচিত হতো৷ তবে পরবর্তী নির্বাচনে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতিত্ব করলে সারাদেশে আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়া হবে৷'' তিনি বলেন, ‘‘পরবর্তী ধাপের নির্বাচনে জনগণ আরো শক্তিশালী হয়ে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী বিজয় ছিনিয়ে আনবে৷'' জানা গেছে পরবর্তী ধাপের নির্বাচনের জন্য বিএনপি আরো কৌশল অবলম্বন করবে৷ আর তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের আরো সক্রিয় হতে বলা হয়েছে৷ প্রশাসন বা স্থানীয় আওয়ামী লীগ কোনো ধরণের ঝামেলা করলে তা সরাসরি কেন্দ্রে জানাবে তৃণমূল৷ এজন্য একটি সেলও খোলা হয়েছে৷

এদিকে, আওয়ামী লীগ নেতা ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ‘‘উপজেলা পরিষদের প্রথম দফা নির্বাচনের ফলাফলে আমরা সন্তুষ্ট নই৷ যেমন ফলাফল আশা করেছিলাম তেমন হয়নি৷ সামনের নির্বাচনগুলোতে দলীয় কোন্দল দূর ও সাংগঠনিক অবস্থা মজবুত করে এবং অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে৷''

জানা গেছে, আওয়ামী লীগ পরবর্তী নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে গিয়েছে৷ আর যাতে কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী তৎপর না থাকতে পারে সেজন্য কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে৷ অভ্যন্তরীন কোন্দল মিটিয়ে ফেলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে৷ আওয়ামী লীগ চাইছে কোনোভাবেই নিজেদের কারণে যেন আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পরাজয় বরণ করতে না হয়৷

আওয়ামী লীগ নেতারা মনে করেন এই নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন না হলেও জাতীয় রাজনীতিতে এর প্রভাব আছে৷ আর ফল বিএনপি'র পক্ষে গেলে সেটা তারা ব্যবহার করতে চাইবে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়