1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিদ্রোহীদের দমনে গাদ্দাফি বাহিনীর চেষ্টা অব্যাহত

গাদ্দাফির বাহিনী বিদ্রোহীদের দমন করতে পুরো শক্তি প্রয়োগ করছে৷ বিদ্রোহীদের ওপর চালাচ্ছে বিমান হামলা৷ এদিকে ইউরোপ ও ন্যাটো লিবিয়ার প্রশ্নে সম্মিলিত অবস্থানের চেষ্টা চালাচ্ছে৷

default

গাদ্দাফি বাহিনীর হামলা

আরব জগতে অস্থিরতার ঘটনাপ্রবাহে জুম্মা বারের আলাদা গুরুত্ব

টিউনিশিয়া, মিশরের সরকার-বিদ্রোহীরা জুম্মার নামাজের পর নতুন উদ্যমে স্বৈরাচারী শাসকদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠতে পেরেছিল বটে, লিবিয়ার বিদ্রোহীদের ভাগ্য কিন্তু তেমন সদয় হচ্ছে না৷ এর মূল কারণ সামরিক বাহিনীতে বিভাজন ও গাদ্দাফির প্রতি একটা বড় অংশের আনুগত্য৷ গত কয়েক দিনের মতো শুক্রবারও লিবীয় বিমান বাহিনী রাস লানুফ সহ বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বোমা বর্ষণ করেছে৷

DOSSIER Teil 2 Libyen März 2011 Abschuß

বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বোমা বর্ষণ

বিমান বাহিনীর কল্যাণে তারা একের পর এক এলাকা পুনর্দখলও করছে৷ জাউয়িয়া শহরের তেল শোধনাগারে আবার উৎপাদন শুরু হয়ে গেছে৷ চলছে সরকারের প্রচারণা যন্ত্রও৷ আজাবিয়া ও বেনগাজির মানুষ তাঁদের মোবাইল ফোনে এসএমএস বার্তা পেয়েছেন, যাতে লেখা আছে, ‘‘আনন্দ করুন, মুক্তির দিন এগিয়ে আসছে৷''


ইউরোপ সহ আন্তর্জাতিক মহলের প্রতিক্রিয়া

ব্রাসেলস'এ ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্মেলনে শীর্ষ নেতারা ঐক্যবদ্ধভাবে সরাসরি মুয়ম্মর গাদ্দাফির উদ্দেশ্যে অবিলম্বে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার ডাক দিয়েছেন৷ সেইসঙ্গে নানা রকম প্রস্তাবের কথাও শোনা যাচ্ছে৷ ফ্রান্স ও ব্রিটেন প্রয়োজনে লিবিয়ার উপর সুনির্দিষ্ট সামরিক হামলার পক্ষে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছে, যদিও বাকি নেতারা এবিষয়ে অনেক বেশি সতর্কতার পক্ষে৷ লিবিয়ার বিদ্রোহীদের রাজনৈতিক স্বীকৃতির প্রশ্নে ইউরোপেই বিভাজন লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷ ফ্রান্স গতকালই বিরোধীদের স্বীকৃতি ও দূত পাঠানোর ঘোষণা করলেও জার্মানি চায়, ইউরোপ সবার আগে লিবিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলি ও আরব লিগ'এর মতামত শুনে এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নিক৷ লিবিয়ার বিদ্রোহীরা বিদেশ থেকে আরও সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে৷ জুম্মার নামাজের পর প্রায় ১৫,০০০ মানুষ বেনগাজির সমুদ্রতটে সমবেত হয়ে লিবিয়ার আকাশে ‘নো ফ্লাই জোন' ও সমুদ্র উপকূলেও আন্তর্জাতিক বাহিনীর টহলদারীর দাবি জানিয়েছে, যাতে গাদ্দাফির বিমান বাহিনী তাদের উপর আর হামলা চালাতে না পারে৷

প্রতিবেদন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: ফাহমিদা সুলতানা