1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিদ্যুৎ উৎপাদন

ক্রমবর্ধমান শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড একদিকে যেমন বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি স্থিতিশীল রেখেছে, সেই সঙ্গে বাড়িয়েছে বিদ্যুতের চাহিদা৷ এই চাহিদা বৃদ্ধির হার বছরে ১১ শতাংশ৷

২০১৪ সালের ১ নভেম্বর৷ হঠাৎ করেই বিকল হয় বিদ্যুতের জাতীয় গ্রিড৷ ফলাফল– ‘ব্ল্যাকআউট' এবং সে কারণে পুরো বাংলাদেশ প্রায় বারো ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন৷ সেদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার একটি সঞ্চালন লাইনের ত্রুটি থেকে বিদ্যুতের এই বিপর্যয়ের সূচনা হয়৷ গেল মে মাসেও আরেকবার বিপর্যয়ের মুখে পড়ে বিদ্যুৎ খাত৷ পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৩৬ জেলার বাসিন্দারা একটানা চার ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকেন৷ ঝড়ের কবলে পড়ে সঞ্চালন লাইনের একটি খুঁটি উপড়ে পড়ে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়৷ এর ফলে বন্ধ হয়ে যায় দশটি বিদ্যুৎকেন্দ্র৷ পরবর্তীতে বিকল্প একটি রিলে লাইন দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচল স্বাভাবিক করা গেলেও মূল লাইনটি আগামী সেপ্টেম্বরের আগে ঠিক হবে না৷ ফলে চারশ' মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি এখনো আছে৷ তাই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংগতি মাথায় রেখে চাহিদা অনুযায়ী যথাযথ পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করাই মূল চ্যালেঞ্জ৷ এই চাহিদা মেটাতে ২০০৯-১০ থেকে ২০১৪-১৫ অর্থবছর পর্যন্ত ৫৭ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে৷ সৌরসহ ২০১০ সালে ৫৭ ভাগ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছেন ৭৪ ভাগ মানুষ৷ এখন দেশের শতকরা ৮০ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছেন৷ গেল পাঁচ বছরে মূলত রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন৷ এ যাবৎ (জুলাই, ২০১৭) বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা ১৩,৫৯৬ মেগাওয়াট এবং সর্বোচ্চ উৎপাদন ৯৭৪১ মেগাওয়াট (২৭ মে, ২০১৭)৷ ২০০৮ সালে সর্বোচ্চ উৎপাদন ছিল ৪০৩৬ মেগাওয়াট৷ সে তুলনায় এই উৎপাদন বৃদ্ধি যে যথেষ্ট তা বলার অপেক্ষা রাখে না৷

আরও প্রতিবেদন দেখান...